Abhijit Gangopadhyay: ভোটের লড়াইয়ের জন্য আগাম অবসর, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের আগে এমন নজির রয়েছে আরও ২ বিচারপতির

বিচার বিভাগ থেকে পদত্যাগ করে এবং মঙ্গলবার রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে, কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই বিচারপতি পদ থেকে পদত্যাগ করে বিজেপিতে যোগদানের কথা ঘোষণা করেছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। অবসর গ্রহণের পর অতীতে অনেক বিচারপতি রাজ্যসভার সাংসদ হয়েছেন।

রাজনীতির ময়দানে নামার জন্য বিচারপতির আগাম অবসর এমন দৃষ্টান্ত খুবই কম। সদ্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বিজেপিতে যোগদানের কথা ঘোষণা করেছেন। ভোটের লড়াইয়েও যে তিনি নামবেন সেটাও এক প্রকার নিশ্চিত। অতীতে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের মতো দুটি দৃষ্টান্ত রয়েছে। দুই বিচারকদের যারা ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য পদত্যাগ করেছেন।

Abhijit Gangopadhyay

প্রথম উদাহরণ ভারতের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি কোকা সুব্বা রাও। তিনি অমল কুমার সরকারের স্থলাভিষিক্ত হয়ে ১৯৬৬ সালের ৩০ জুন প্রধান বিচারপতি হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র এক বছরের মধ্যে এবং অবসর গ্রহণের তিন মাস আগে পদত্যাগ করেন। যে পরিস্থিতিতে তিনি পদত্যাগ করেছিলেন তা সে সময় অনেক আলোচনার জন্ম দেয়।

সুব্বা রাও, মৌলিক অধিকারের বিষয়ে সবচেয়ে স্পষ্টবাদী বিচারকদের একজন হিসাবে বিবেচিত। সেই সময় বিরোধী দলের পক্ষ থেকে তাঁকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে লড়াইয়ের আবেদন জানানো হয়।১৯৬৭ সালে ভারতের রাষ্ট্রপতি পদের জন্য বিরোধী দলের প্রার্থী হওয়ার জন্য আমন্ত্রণ পেয়ে বিচারক পদ থেকে ইস্তফা দেন সুব্বা রাও। রাজনৈতিকভাবে, কংগ্রেস যদিও এটি একটি চ্যালেঞ্জ হিসাবে নিয়েছিল।

কংগ্রেস মনোনীত প্রার্থী জাকির হোসেনের কাছে রাষ্ট্রপতি ভোটের লড়াইয়ে হারতে হয়েছিল তাঁকে। ফলে বিরোধীরা কংগ্রেসকে চাপে ফেলতে পারেনি।দ্বিতীয় উদাহরণ হল সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি বাহারুল ইসলাম যিনি তার অবসর গ্রহণের ছয় সপ্তাহ আগে পদত্যাগ করেছিলেন এবং ১৯৮৩ সালের লোকসভা নির্বাচনে আসামের বারপেটা থেকে কংগ্রেস প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।

১৩ জানুয়ারী, ১৯৮৩ সালে তিনি তাঁর পদত্যাগের ঘোষণা দেন। একদিন পর তিনি বারপেটা থেকে কংগ্রেসের মনোনয়ন পান। কয়েক সপ্তাহ পরে লোকসভা নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, অসমে আন্দোলনের জন্য অস্থিরতার কারণে বারপেটাতে নির্বাচন হতে পারেনি। ১৯৮৩ সালের মে মাসে, তিনি আবার রাজ্যসভার সাংসদ হন।

ভোটের লড়াইয়ে নামলে অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায় হবেন এই তালিকায় তৃতীয় বিচারপতি। মঙ্গলবার পতদ্যাগের পর সাংবাদিক সম্মেলনে সদ্য অবসর নেওয়া বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, শেষ সাত দিন বিজেপির সঙ্গে কথা হয়েছে। দু'পক্ষের সহমতে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ওই দিনগুলিতে বিচারের কাজ করিনি।

একইসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, সিপিএমে যোগ দেব না কারণ আমি ঈশ্বর বিশ্বাসী। ধর্মে বিশ্বাস করি। তাদের সঙ্গে আমার মিল হবে না। কংগ্রেস হল পারিবারিক জমিদারির একটা দল। এখানে জয়রাম রমেশের মতো শিক্ষিত মানুষেরা থাকেন। কিন্তু তাঁরা পদ পান না। রাহুল গান্ধীর মতো নেতাদের পিছনে থেকে যেতে হয়।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+