• search

ক্লাসরুম নেই, এই স্কুলে বাথরুমেই ক্লাস করতে বাধ্য হয় পড়ুয়ারা

  • By Ritesh Ghosh
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    স্কুল রয়েছে অথচ ক্লাসরুম নেই। এমন স্কুলের কথা শুনেছেন কখনও। তবে এমন স্কুল রয়েছে মধ্যপ্রদেশের নীমচ জেলায়। রাজ্য প্রশাসন স্কুল শিক্ষা নিয়ে চেষ্টার ত্রুটি না রাখলেও ঘটনা হল সমস্ত প্রচেষ্টাই জলে গিয়েছে।

    এক চিত্রগ্রাহকের ক্যামেরায় ঘরা পড়েছে সেই এলাকার একটি প্রাথমিক স্কুলের দৈন্যদশা ফুটে উঠেছে। এই স্কুলে মাত্র একজনই শিক্ষক রয়েছেন। তবে ক্লাস ঘর কিছুই নেই। ফলে বাধ্য হয়ে মোখমপুর গ্রামের এই স্কুলে ছাত্রছাত্রীরা বাথরুমে বসে ক্লাস করে।

    ক্লাসরুম নেই, এই স্কুলে বাথরুমেই ক্লাস করতে বাধ্য হয় পড়ুয়ারা

    সবচেয়ে আশ্চর্যের কথা, স্থানীয় বিধায়ক গোটা ঘটনা জানেন না। ২০১২ সালে তৈরি হয় এই স্কুলটি। তখন একটিমাত্র ঘরই ছিল। পরে সেই ঘরটিও আর পাওয়া যায়নি।

    স্কুলে গেলে দেখা যাবে, গরমে রোদের হাত থেকে বাঁচতে বাথরুমের মধ্যে ছাত্রছাত্রীরা ক্লাস করে। কখনও কখনও আশপাশে ছাগল ছাড়া থাকে। তার মাঝেই বসে ক্লাস করতে হয় পড়ুয়াদের।

    ক্লাসরুম নেই, এই স্কুলে বাথরুমেই ক্লাস করতে বাধ্য হয় পড়ুয়ারা

    স্কুলের এক এবং একমাত্র শিক্ষক কৈলাস চন্দ্র জানিয়েছেন, তিনি বাধ্য হয়ে বাথরুমে ক্লাস নেন। যখন আবহাওয়া ভালো থাকে তখন গাছের তলায় পড়ান, আর চড়া রোদে বা বৃষ্টিতে ক্লাসরুমে পড়াতে বাধ্য হন তিনি। এই নিয়ে হাজারো চিঠি পাঠিয়েও কোনও লাভ হয়নি বলে তিনি দাবি করেছেন।

    জেলা শিক্ষা দফতরের তরফে জানানো হয়েছে যে এই স্কুলটির বিষয়ে রাজ্য শিক্ষা দফতরকেও জানানো হয়েছে। নতুন স্কুল বিল্ডিংও তৈরি করতে আর্জি জানানো হয়েছে।

    English summary
    No school building in school, students forced to study in toilet in Madhya Pradesh

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more