• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

    ভূমিকম্প বিধ্বস্ত নেপালে মৃতের সংখ্যা ছাড়াল সাত হাজার

    কাঠমান্ডু, ৩ মে : নেপালের তীব্র ভূমিকম্পের পর ১ সপ্তাহ কেটে গিয়েছে। মৃতের সংখ্যা ৭,০০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। এদিকে নেপালে আটকে পড়া পর্যটক, বাসিন্দাদের আত্মীয়স্বজনরা এখনও আশা রাখলেও ধ্বংসস্তূপ থেকে আর কোনও জীবিত মানুষকে উদ্ধার করা মোটামুটিভাবে আর সম্ভব নয় বলেই মনে করছে নেপাল সরকার। একইসঙ্গে মনে করা হচ্ছে এই ধ্বংসস্তূপ থেকেই ছড়াতে পারে সংক্রমণ।[ নেপাল ভূমিকম্প : ১২৮ ঘণ্টা পর ধ্বংসস্তুপ থেকে উদ্ধার যুবতী]

    ২দিন আগে পর্যন্ত ধ্বংসস্তুপের মধ্যে থেকে এক মহিলাকে উদ্ধার করা হয়েছে যিনি ১২৮ ঘণ্টা আটকে ছিলেন ধ্বংসস্তুপ থেকে। এক যুবককে ৮০ ঘন্টার পর উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এমন চমৎকার আর সম্ভব নয় বলেই জানিয়ে দিয়েছে নেপাল।

    ধ্বংসস্তূপ থেকে আর কাউকে জীবিত উদ্ধারের আশা নেই, জানাল নেপাল সরকার

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের মুখপাত্র লক্ষ্মীপ্রসাদ ধাকাল জানিয়েছেন, "দুর্ঘটনার পরে ১ সপ্তাহের উপর কেটে গিয়েছে। আমরা উদ্ধার ও ত্রাণ কাজে আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করছি। তবে আমার মনে হয় না ধ্বংসস্তুপের মধ্যে কোনও জীবিত ব্যক্তির বেঁচে থাকার সম্ভাবনা আছে।"

    যদিও হাল ছাড়তে রাজি নন আত্মীয় পরিজনেরা। এখনও অনেকেরই বিশ্বাস তাঁদের আপনজন ইট-মাটি-পাথরের স্তূপে কোথায় আটকে রয়েছেন। তাদের অবশ্যই জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা যাবে।

    ভূমিকম্পের জেরে যে নির্দিষ্ট কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা এখনও পরিমাপ করা সম্ভব হয়নি। এখনও এমন অনেক জায়গা রয়েছে যেখানে উদ্ধারকর্মীরা পৌঁছতেই পারেনি। এখনও অনেক জায়গা পৌছনো বাকি রয়েছে।

    তবু আশার আলো বুকে নিয়েই আপনজনের জীবিত ফেরার আশায় আত্মীয় পরিজনেরা।

    English summary
    Nepal govt rules out finding more survivors in capital
    For Daily Alerts

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more