Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

লোকসভায় নয়া জমি অধিগ্রহণ বিল আনায় ওয়াক-আউট বিরোধীদের

নয়াদিল্লি, ২৪ ফেব্রুয়ারি : বিতর্কিত জমি অধিগ্রহণ বিল লোকসভায় আনল মোদী সরকার। এই বিল বিরোধিতায় সরব হন প্রায় সব বিরোধী দলগুলিই। এই বিলটিকে 'কৃষক-বিরোধী ও দরিদ্র বিরোধী' আখ্যা দিয়ে সংসদ থেকে ওয়াক আউট করে কংগ্রেস। কংগ্রেসের পাশাপাশি সমাজবাদী পার্টি, তৃণমূল কংগ্রেস, আম আদমি পার্টি, রাষ্ট্রীয় জনতা দল ও বামেরা ওয়ালে নেমে এই বিলের বিরোধিতা করেন।

বিজেপিরই জোটসঙ্গী স্বভিমানি শেঠকারি সংগঠন-এর নেতা রাজু শেঠী কৃষক সম্প্রদায়ের পক্ষে ধ্বংসাত্মক আখ্যা দিয়ে বিলের বিরোধিতা করেন।

আজ লোকসভায় নয়া জমি অধিগ্রহণ বিল পেশ করতে চলেছে মোদী সরকার

কংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জুন খারগে বলেন জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত অর্ডিন্যান্সের পরিবর্তে যে বিল আনতে চাইছে কেন্দ্র তা কৃষক বিরোধী, মানুষের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করবে।

তৃণমূল সাংসদ এই বিল নিয়ে টুইট করে বলেন, ইউপিএ-এর জমি অধিগ্রহণ আইন নিয়ে একমাত্র তৃণমূল কংগ্রেস বিরোধিতা করেছিল। এনডিএ সরকার খারাপ আইনকে আরও খারাপ করছে। আমরা এই বিরোধিতা চালিয়ে যাব।

আজ লোকসভায় নয়া জমি অধিগ্রহণ বিল পেশ করতে চলেছে মোদী সরকার

নয়াদিল্লি, ২৪ ফেব্রুয়ারি : চাপের মুখে পড়ে জমি অধিগ্রহণ অর্ডিন্যান্স সরিয়ে আজ লোকসভায় জমি অধিগ্রহণ বিল ২০১৫ আনতে চলেছে মোদী সরকার।

যদিও কেন্দ্রীয় সরকারের এই পদক্ষেপ বিরোধী পক্ষের বিরোধিতার মুখে স্বভাবতই পড়বে কারণ এই ইস্যুতে স্পষ্ট ব্যাখ্যা চায় তারা। এই বিলের ফলে সামাজিক প্রভাবের মূল্যায়ণের দাবিতে বহুবার সরব হয়েছে বিরোধী পক্ষ। ফলে এবারও যে এবিষয়ে তারা তর্ক করার সুযোগ চাইবে তা বলাই বাহুল্য।

তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও'ব্রায়েন জানিয়েছেন, "আমরা মোটেই সন্তুষ্ট নই যে, অন্যান্য দলগুলি মেনে নিয়েছে জমি অধিগ্রহণ অর্ডিন্যান্স কৃষক বিরোধী। তা কৃষকদের পক্ষে নয়।"

এই বাজেট অধিবেশনে না পেশ করলে আগামী ২০ মার্চের মধ্যে এই অর্ডিন্যান্স মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে।

এদিকে সোমবার বাজেট অধিবেশনের সূচনা করেন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়। রাষ্ট্রপতি নিজের সূচনা বক্তৃতায় জানিয়েছেন, নয়া বিলে জমির মালিক ও কৃষকদের অধিকার সুরক্ষিত করা হয়েছে। এই বিল নিয়ে ভীতি নিবারণে রাষ্ট্রপতি জানিয়েছেন, এই নয়া বিলে শুধুমাত্র শিল্পপতিরা সুবিধা পাবে, জমি মালিকদের সায়কে আমল দেওয়া হবে না, তা কখনওই নয়।

লোকসভায় শাসক দলের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় অর্ডিন্যান্সের পরিবর্তে জমি অধিগ্রহণ বিল ২০১৫ আনতে চলেছে মোদী নেতৃত্বাধীন সরকার। কিন্তু রাজ্যসভায় সমর্থনের এই সংখ্যা গেড়োতেই বিপাকে শাসক দল।

জমি অধিগ্রহণ অর্ডিন্যান্সের ক্ষেত্রে মূল বিরোধিতার ছিল যে যৌথ সরকারি-বেসরকারি প্রকল্পের ক্ষেত্রে জমি মালিকদের ৭০ শতাংশের কাছ থেকে জমি অধিগ্রহণের জন্য লিখিত অনুমতি নেওয়ার শর্তটি বাদ দেওয়া হয়েছিল।

গত ডিসেম্বরেই জমি অধিগ্রহণ আইনের সংশোধনমূলক অর্ডিন্যান্সে সম্মতি দেয় কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেট। ইউপিএ আমলের জমি অধিগ্রহণ আইন বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে, এই অভিযোগ তুলেছিল শিল্পমহল। তাই ক্ষমতায় এসে শিল্পের পথ প্রশস্ত করতে নতুন জমি অধিগ্রহণ বিলে কিছু সংশোধনী আনে এনডিএ। কিন্তু সংসদে তা পাশ করাতে পারেনি। ফলে রাষ্ট্রপতির সম্মতি নিয়ে তাকে অর্ডিন্যান্সে পরিণত করে। চলতি বাজেট অধিবেশনে এটি পাশ করাতে হবে।

সংশোধনীতে বলা হয়েছিল, গ্রামাঞ্চলে জমি অধিগ্রহণ হলে বাজারদরের চেয়ে চারগুণ বেশি ক্ষতিপূরণ মিলবে। অর্থাৎ কোনও জমির দাম বাজারদর অনুযায়ী এক লক্ষ টাকা হলে ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে চার লক্ষ টাকা। শহরাঞ্চলে দ্বিগুণ ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে। কেন্দ্রীয় সরকারের দাবি, এর ফলে আটকে থাকা ২০ লক্ষ কোটি টাকার প্রকল্প খুব সহজে বাস্তবায়িত হবে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+