জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে মোদী মন্ত্রিসভার ফের বড়সড় সিদ্ধান্ত! ভূস্বর্গে এবার কী পেতে চলেছে
জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে মোদী মন্ত্রিসভার ফের বড়সড় সিদ্ধান্ত! ভূস্বর্গে এবার কী পেতে চলেছে
২০১৯ সালের ৫ অগাস্ট মোদী মন্ত্রিসভা একটি বড়সড় সিদ্ধান্ত নিয়েছিল জম্মু ও কাশ্মীরকে নিয়ে। সেখান থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে ৩৭০ ধারা। তিনটি কেন্দ্রশাসিত অ়ঞ্চলে সেই সময় ভাগ করা হয় লাদাখ, জম্মু ও কাশ্মীরকে। এরপর ২০২০ সালের অগাস্ট পার হতেই সেপ্টেম্বরের শুরুতে আরও এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সরকারের।

বহু দিনের দাবি ও ৫ অগাস্ট
এদিন সরকারের তরফে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর একটি সাংবাদিক সম্মেলনে জানান, ৫ অগাস্টের পর থেকে কাশ্মীরে মানুষের সমানাধিকার রক্ষা হচ্ছে। আর সেই দিকে নজর দিয়েই কাশ্মীরের মানুষের বহুদিনের এক দাবিকে মান্যতা দিয়েছে মোদী সরকার।

মোদী মন্ত্রিসভায় কোন সিদ্ধান্ত?
জানা গিয়েছে, মোদী মন্ত্রিসভা এদিন ভূস্বর্গের মানুষের ভাষা সংক্রান্ত একটি বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন থেকে কাশ্মীরের সরকারি ভাষা হিসাবে উর্দু ও ইংরেজি ছাড়াও , হিন্দি , কাশ্মীরি ও ডোগরিকে বিবেচনা করা হবে। এই সিদ্ধান্তে শিলমোহর দিয়েছে মোদী মন্ত্রিসভা।

পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে কী ঘটছে?
এদিকে একটি রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, পাকিস্তান অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরে পাঞ্জাবী উচ্চবর্ণের সম্প্রদয়ারে ওপর জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে উর্দুর ভাষা। যেখানে এলাকার অধিকাংশ মানুষই মিশ্র ভাষায় কথা বলেন। এদিকে, ভারত সংবিধানে কাশ্মীরের ডোগরি, কাশ্মীরি ও উর্দু তিন ভাষাকেই স্থান দিয়েছে। আর এর থেকেই বোঝা যাচ্ছে প্রাক স্বাধীনতা যুগের মুসলিম লিগ ধর্মী কার্যকলাপই চালিয়ে যাচ্ছে ইমরান সরকার।

রাতের অন্ধকারে পিওকে তে কী ঘটাচ্ছে ইমরান সরকার?
'হিউম্যান লাইভস ম্যাটর' শীর্ষক একটি রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর জুড়ে শিখ জনজাতির অধিকাংশ মানুষকে হয় গুম করা হচ্ছে নয়তো বনেদী শিখদের খুন করা হচ্ছে। এমনকি ধীরে ধীরে এলাকায় শিয়া মুসলিমদের সংখ্যাও কমতে শুরু করেছে বলে দাবি রিপোর্টের। যার দ্বারা পিওকেতে জনজাতীর ঘরানা পরিবর্তনের চেষ্টায় রয়েছে ইমরান সরকার।












Click it and Unblock the Notifications