এ কোন সমাজ, যেখানে বড়দা ৯ মাস ধরে ধর্ষণ করল বোনকে, আর তারপর যা ঘটল
গুজরাটের এই ঘটনাকে ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন হইচই। কী ভাবে একজন দাদা নিজের রক্তের সম্পর্কের বোনকে ধর্ষণ করতে পারে তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।
এ এমন এক ঘটনা যা শুনে ছিছি করে উঠতে পারেন। নিজের রক্তের সম্পর্কের বোনের উপর কোনও দাদা এমন নারকীয় অত্যাচার করতে পারে তা ভাবনাতেও আনা যায় না। গুজরাটের পাটান জেলার সারিয়াদ গ্রামে হওয়া এই ঘটনা এখন অবশ্য ভাইরাল হয়ে উঠেছে নেট দুনিয়ায়।

বুধবারই প্রকাশ্যে আসে এই খবর। জানা গিয়েছে, পাটান জেলার সারিয়াদ গ্রামে নিজের বছর ঊনিশ বয়সী দাদার হাতে দিনের পর দিন ধর্ষণের শিকার হয় বোন। এমনকী, ১৭ বছরের এই নাবালক বোন সোমবার একটি শিশু সন্তানেরও জন্ম দেয়।
ধর্ষণের শিকার নাবালিকার মা-এর দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই মেয়ের শরীরে পরিবর্তন লক্ষ্য করছিলেন তাঁরা। ভেবেছিলেন মেয়ের পেটে টিউমার হয়েছে। চিকিৎসকের কাছেও নিয়ে যাওয়ার কথা ভাবছিলেন। কিন্তু, সোমবার মেয়ে সন্তানের জন্ম দিতেই তাঁদের চোখ কপালে।
এই ঘটনার পরই নাকি গ্রামে হইচই পড়ে যায়। সকলের জিজ্ঞাসার সামনে নাবালিকা জানায় এক ভয়ঙ্কর অত্যাচারের কাহিনি। কী ভাবে তাকে দিনের পর দিন তার নিজের দাদাই ধর্ষণ করে গিয়েছে সে কথা পরিবার থেকে গ্রামের মানুষের সামনে খুলে বলে সে।
নাবালিকার অভিযোগ, রোজ রাতে সকলে শুয়ে পড়লে বড়দা তার বিছানায় চলে আসত। এরপর বোনের মুখ হাত দিয়ে চেপে রেখে লাগাতার ধর্ষণ করত সে। ৯ মাস ধরে দাদার এই অত্যাচারের শিকার হয়েছে বলে জানিয়েছে নাবালিকা।
বুধবারই পুলিশ অভিযুক্ত ওই দাদাকে গ্রেফতার করেছে। তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও পসকো আইনে মামলা দায়ের করেছে। নাবালিকা ও তার সন্তান ভালো আছে বলেই জানা গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications