Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

সুখবর! বিবাহিত মেয়েরাও প্রয়াত বাবার পেনশনের যোগ্য, বড় রায় হাইকোর্টের, কোন নিয়মে?

পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্ট একটি রায় ঘোষণা করেছে। যেখানে বলা হয়েছে যে, ৭০% প্রতিবন্ধী একজন বিবাহিত কন্যার স্বামী যদি ১০০ % প্রতিবন্ধী হন এবং মেয়েটির বাবা যদি মৃত হয়ে থাকেন তাহলে পাঞ্জাব সিভিল সার্ভিস রুলসের অধীনে মেয়েটিকে তার বাবার পারিবারিক পেনশন থেকে বঞ্চিত করা যাবে না। সরকারের পক্ষ থেকে একটি মেয়ের প্রয়াত বাবার পারিবারিক পেনশনের দাবি খারিজ করার পদক্ষেপকে সমর্থন করা হয়েছিল। কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে সেই রায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার পর আজ এই রায় দিয়েছে পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্ট।

ঘটনা অনুসারে, মেয়েটির বাবা প্রয়াত শ্রী সুরিন্দর পাল, ৩০ জুন, ১৯৯৯ তারিখে সরকারি চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করেছিলেন। একইসঙ্গে সেই তারিখেই তাঁর পেনশন অনুমোদিত হয়। কিন্তু তিনি ২০১৪ সালের ১০ অক্টোবর মারা যান। এর আগে ১৯ আগস্ট, ২০১২ সালে মেয়েটির মা মারা গেছিলেন। কিন্তু বিশেষভাবে প্রতিবন্ধী থাকায় মেয়েটি একমাত্র জীবিত আইনি উত্তরাধিকারী হিসেবে তিনি পারিবারিক পেনশনের জন্য আবেদন করেন। কিন্তু সরকার তাকে পারিবারিক পেনশন দিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরিবর্তে সরকার মেয়েটির কাছ থেকে একটি প্রতিবন্ধী শংসাপত্র এবং একটি আইনি উত্তরাধিকারী শংসাপত্র ও সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছ থেকে একটি বাৎসরিক আয়ের শংসাপত্রও চেয়েছিল।

এছাড়াও, সরকারি কর্মকর্তারা মেয়েটিকে অফিস থেকে পেনশনের কাগজপত্র সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় কাজগুলি সম্পন্ন করার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তিনি প্রয়োজনীয় নথিপত্র সহ সমস্ত কিছু নিয়ে চণ্ডীগড়ের সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে তার আবেদন জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু পাঞ্জাব সিভিল সার্ভিস রুলস, ২০১৫ সালের ৬ নভেম্বরে মেয়েটির দাবি প্রত্যাখ্যান করে।

তখন মেয়েটি চণ্ডীগড়ের আদেশের বিরুদ্ধে শ্রম আদালতে অর্থাৎ কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে আপিল করেছিলেন। পরে সরকার ৬ নভেম্বর, ২০১৫ তারিখে তাদের আদেশ প্রত্যাহার করে নেয়। এবং ২০১৬ সালের ২৬ মে, তারিখে সরকার বলে যে তিনি তাঁর পারিবারিক পেনশন আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় নথি জমা না দেওয়ায় মামলাটি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। তবে, সরকার এও বলেছিল যে তিনি যদি প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা করতে করেন, তাহলে তাঁর দাবি পর্যালোচনা করে আবার দেখা হবে।

২০১৬ সালের ২ জুন তিনি শ্রম আদালত সরকারি বিভাগকে নির্দেশ দিয়ে ডেপুটি কমিশনারকে আয়ের শংসাপত্র জারি করার জন্য বলে এবং পারিবারিক পেনশনের জন্য তাঁর মামলা পুনর্মূল্যায়ন করে। এরপর, মেয়েটি আয়ের শংসাপত্রের জন্য তহসিলদারের কাছে যান।

২০১৬ সালের ৩০ আগস্ট তিনি তাঁর স্বামীর আয়ের শংসাপত্র জারি করেন। তারপরেও ২০১৭ সালের ৮ মে একটি চিঠি জারি করা হয় যেখানে বলা হয় যে, তিনি পারিবারিক পেনশনের যোগ্য নন। এই আদেশে অসন্তুষ্ট হয়ে, মেয়েটি পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টে আপিল করে এবং ২১ মে, ২০২৫ তারিখে মামলাটি জিতে নেয়।

পেনশনভোগীর মেয়ে কী স্ত্রীর পরিবর্তে পেনশন পেতে পারে? বাবার পেনশন সংক্রান্ত কোনও বিধান আছে কিনা ? এই বিষয়ে কোনও আলাদা নিয়ম রয়েছে কিনা সেইসব নিয়েও অনেকের মনে অনেক প্রশ্ন তৈরি হয়।

সেন্ট্রাল সিভিল সার্ভিসেস বিধি ২০২১ অনুযায়ী, কন্যা তার বাবার পেনশন পাওয়ার যোগ্য অধিকারী। যেকোনও বিবাহিত ও বিধবা মেয়েরা পারিবারিক পেনশন পেতে পারেন। তবে এর জন্য কিছু আলাদা আলাদা নিয়ম রয়েছে। একটি মেয়ের যতদিন না পর্যন্ত বিয়ে হচ্ছে বা চাকরি না পাওয়া পর্যন্ত সেই মেয়ে পারিবারিক পেনশন পাওয়ার যোগ্য। কিন্তু যদি মেয়ে মায়ের মতো শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী হন তাহলে তিনি আজীবন পেনশন পেতে থাকেন। নিয়ম অনুযায়ী, একজন বিধবা বা বিবাহবিচ্ছিন্না কন্যাও আজীবন পেনশন পেতে পারেন।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+