দিল্লিতে নৃশংস খুন, বন্ধুর দেহ কেটে ফ্রিজে ভরল পশ্চিমবঙ্গের যুবক

  • Posted By: Soumik
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    ৫ দিন আগে নিখোঁজ এক ব্যক্তির দেহ উদ্ধার হল তাঁরই বন্ধুর ফ্রিজ থেকে। তাও বেশ কয়েক টুকরো অবস্থায়। হাড়হিম করা এই ঘটনা ঘটেছে দিল্লির মেহরৌলি এলাকায়। অভিযুক্ত বাদল মণ্ডল পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। দুই বন্ধুই দিল্লির একটি পানশানায় বারটেন্ডারের কাজ করত। গত ৯ই অক্টোবর থেকেই কোনও খোঁজ মিলছিল না নিহত বিপিন চাঁদ যোশীর।

    দিল্লিতে নৃশংস খুন, বন্ধুর দেহ কেটে ফ্রিজে ভরল পশ্চিমবঙ্গের যুবক

    গত ১২ই অক্টোবর বিপিনের ভাইয়ের দায়ের করা নিখোঁজ ডায়েরির ভিত্তিতে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। তদন্ত নেমে পুলিশ জানতে পারে, গত ৯ই অক্টোবর বিপিন ও বাদল একসঙ্গেই কর্মক্ষেত্র থেকে বেরয়। কিন্তু তারপর আর কেউই কাজে যোগ দেয়নি। সেখানেই প্রথম সন্দেহ হয় পুলিশের। এরপরই শনিবার সকালে পুলিশের কাছে মেহরৌলি থেকে ফোন আসে। ওই এলাকায় একটি বন্ধ বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ বেরচ্ছে বলে কেউ ফোন করে জানায় পুলিশকে।

    খবর পেয়েই পুলিশের একটি দল ওই বাড়িতে পৌঁছে জানতে পারে এটাই বাদল মণ্ডলের বাড়ি। দরজায় বাইরে থেকে তালা দেওয়া ছিল। দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে সারা ঘরে রক্ত পড়ে থাকতে দেখে পুলিশ। ফ্রিজের দরজাও হাট করে খোলা ছিল। সেখানেই কয়েকটি কালো প্লাস্টিক ব্যাগে টুকরো অবস্থায় বিপিনের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

    এদিকে এই ঘটনার পর থেকে বেপাত্তা অভিযুক্ত বাদল মণ্ডল। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে, বাদল তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে থাকত। কিন্তু কিছুদিন আগেই সে পশ্চিমবঙ্গের বাড়িতে স্ত্রী ও সন্তানদের রেখে এসেছে। কেন সে বিপিনকে খুন করল তা নিয়ে এখনও ধোয়াশায় দিল্লি পুলিশ। ইতিমধ্য়েই তাকে ধরতে পশ্চিমবঙ্গে একটি টিম পাঠিয়েছে দিল্লি পুলিশ।

    English summary
    Body of a man who went missing since 9th october was found inside a refrigerator at his friend's house in South Delhi, the body was chopped into pieces

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more