Manipur Violence: মণিপুরে ধর্মীয় হামলার অভিযোগ! পুড়েছে আড়াইশোর বেশি ধর্মস্থান
বর্তমানে মনিপুরের রাজধানী ইম্ফল এবং আশপাশের এলাকায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেতাদের বাড়িতে হামলার (Manipur Violence) খবর সামনে আসছে। কিন্তু এর পিছনে অন্য তথ্য উঠে আসছে। ইম্ফলের আর্চবিশপ ডমিনিক লুমন এদিন এক চিঠিতে অভিযোগ করেছেন সেখানে কার্যত ধর্মীয় আক্রমণ করা হয়েছে।
তিনি দাবি করেছে, হিংসা শুরু হওয়ার (Manipur Violence) পর থেকে ক্যালিক চার্চের অধীনে অন্তত ১০ টি প্রতিষ্ঠানের ওপরে হামলা চালানো হয়েছে। তিনি আরও বলেছেন, হামলা শুরু হওয়ার ৩৬ ঘন্টার মধ্যে মেইতেই খ্রিস্টানদের অন্তত আড়াশোটি গির্জা ধ্বংস করা হয়েছে।

আর্চবিশপ প্রশ্ন তুলে বলেছেন, কুকি ও মেইতেইদের মধ্যে লড়াইয়ে কেন মেইতেই জনতা মেইতেই এলাকায় থাকা গির্জগুলি পুড়িয়ে ফেলল কিংবা ধ্বংস করল? কীভাবে মেইতেই এলাকায় গির্জার ওপরে আক্রমণ( Manipur Violence), পূর্ব পরিকল্পনা না থাকলে কীভাবে আক্রমণকারীরা জানল, গির্জাগুলি কোথায় কোথায় রয়েছে?
ইম্ফলের আর্চবিশপ ডমিনিক লুমন মেইতেইদের আদিবাসী ধর্ম সানামাহিজমের পুনরুজ্জীবন, আরামবাই ট্যাংগল এবং মেইতেই লিপুনের মতো গোষ্ঠী উত্থানের সঙ্গে যুক্ত করেছেন। এর মধ্যে বেশ কিছু ধর্ম যাজককে নতুন করে গির্জা তৈরি না করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেখানে সংখ্যালঘুদের মধ্যে নীরবতাও দেখা গিয়েছে। এটা কি আরেকটা ঘর ওয়াপসি নয়, প্রশ্ন করেছেন তিনি।

রাজ্যে শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যর্থ রাজ্য সরকার এবং সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ইম্ফলের আর্চবিশপ ডমিনিক লুমন। তিনি বলেছেন, কেন্দ্র ও রাজ্যের নির্বাচিত সরকার হিংসা শুরুর ( Manipur Violence) দেড়মাস পরেও আইনশৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার করতে এবং হিংসা বন্ধ করতে পারেনি।
রাজ্যে সাংবিধানিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার অভিযোগ করেছেন তিনি। কেন রাষ্ট্রপতি শাসন এর বিকল্প নয়, সেই প্রশ্নও করেছেন ইম্ফলের আর্চবিশপ ডমিনিক লুমন। কেন হামলার চেষ্টার (Manipur Violence) পরেও অরক্ষিত স্থানগুলিকে অরক্ষিত রেখে দেওয়া হল সেই প্রশ্ন করেছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications