ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি না দেখলে বোঝা যায় না, মণিপুর থেকে ফিরে অভিজ্ঞতার কথা জানাল তৃণমূলের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম
মনিপুর থেকে শহরে ফিরে কলকাতা বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে তৃণমূলের ফ্যাক্স ফাইন্ডিং দলের অন্যতম সদস্য সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার মনিপুরের বর্তমান অবস্থা নিয়ে বলেন, ভয়াবহ পরিস্থিতি ওখানে যে অত্যাচার হয়েছে যে নৃশংসতা যে ভয়াবহতা এটা ভাবা যায় না যে কোন সভ্য সমাজে।
এটা হতে দিয়েছে, ওখানকার শুধু রাজ্য সরকার নয় কেন্দ্রের সরকার সমান ভাবে দায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কয়েকজন সাংসদ কে পাঠিয়েছিলেন বলে আমরা দেখতে পেলাম কি ঘটনা সেখানে ঘটেছে নেত্রী যেতে চেয়েছিলেন জুন মাসে তাকে অনুমতি দেওয়া হয়নি।

আমরা যা দেখে এসেছি যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি ওখানে রাজ্যপাল নিজে বলছেন ৬০ হাজার আধা সামরিক মোতায়েন করেছেন কিন্তু ওখানে মানুষকে পরিষেবা বা মানুষকে সুরক্ষিত রাখা সঠিক বন্দোবস্ত করা হয়নি আমরা যা দেখে এসেছি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলব। নিশ্চয়ই এটার যার ব্যবস্থা নেওয়ার তুমি আমাদের পাঠিয়েছেন আমরা জানাবো তারপর সিদ্ধান্ত হবে।
মণিপুরে রিলিফ পাঠানো নিয়ে তিনি বলেন, আমরা তো সব ব্যবস্থা নিতে পারব না সবটাই আমার নেত্রী নেবে কিন্তু আমরা জেনেছি কি খাদ্যদ্রব্য কি বস্তু বেবি ফুড পর্যাপ্ত পরিমাণে তাদেরকে দেওয়া হচ্ছে না প্রায় জন্তু-জানোয়ারের মতো একেক জনকে একেকটা ঘরে ঠেসে রাখা হয়েছে কোন আলো নেই পাখা নেই। পাঁচ হাজার বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে ৫৭ হাজার মানুষ ক্যাম্পে রয়েছে আবার ৬০ হাজার আধা সামরিক বাহিনী নেমেছে কিন্তু কাজটা মানুষের স্বার্থে যেটা হওয়া উচিত ছিল সেটা ঠিকভাবে হচ্ছে না।

মনিপুরের সব বিধ্বস্ত অঞ্চলে তারা যেতে পেরেছে কিনা সেই প্রসঙ্গে বলেন, মোটামুটি সব জায়গায় আমরা গিয়েছি ইম্পলে নেমে হেলিকপ্টারে করে পাহাড়ে গিয়েছি যে দুর্গম অঞ্চলে জনজাতি গোষ্ঠী তারা বলছে আমরা অত্যাচারিত আবার সমতলে যারা রয়েছে তারা বলছে আমরা অত্যাচারিত কিন্তু ঘটনা হচ্ছে দুই তরফে আহত মানুষ রয়েছে নিহত মানুষ রয়েছে ঘরছাড়া মানুষ রয়েছে এটা সরকারের দেখা উচিত ছিল রাষ্ট্র নেতা সবার কোন রাজনৈতিক দলের না কেন্দ্রীয় সরকার সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ এত ব্যর্থ কেন্দ্রীয় সরকার ভারত বর্ষ অনেকদিন দেখিনি।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য গতকাল সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাস হওয়া মণিপুরের ঘটনার ভিডিও চমকে িদয়েছে গোটা দেশকে। গণধর্ণের পর নগ্নভাবে রাস্তায় হাঁটানো হয়েছে দুই যুবতীকে। ঘটনার এক মাস পরে প্রকাশিত হয়েছে সেই ভিডিওটি। তারপরে গ্রেফতার করা হয়েছে মূল অভিযুক্তকে। বাকিরা এখনও পলাতক।












Click it and Unblock the Notifications