• search

কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা, পুরুষাঙ্গ কেটে রাস্তায় ফেলে দিল উন্মত্ত জনতা

  • By Ananya Pratim
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts
    ধর্ষণ
    জয়পুর, ১২ নভেম্বর: নাবালিকাকে ধর্ষণ করতে চেষ্টা করেছিল এক ব্যক্তি। কিন্তু কঠিন সাজা অপেক্ষা করছিল! ধরা পড়ে প্রথমে গণধোলাই খেল। তার পর মাংসের দোকানে টেনে নিয়ে গিয়ে তার পুরুষাঙ্গ কেটে দিল উন্মত্ত জনতা। ঘটনাটি ঘটেছে রাজস্থানের শ্রীগঙ্গানগরে। এই ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

    স্থানীয় সূত্রে খবর, শহরের বাজার-লাগোয়া একটি মহল্লায় সাতসকালে এক নাবালিকাকে ধর্ষণ করার চেষ্টা করে এক ব্যক্তি। মেয়েটি নিজের সম্মান বাঁচাতে প্রাণপণে চিৎকার করছিল। সেই চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। দেখা যায়, এক কিশোরীকে একটি কানা গলির ভিতর টেনে নিয়ে গিয়েছে ওই ব্যক্তি। নিজে সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে মেয়েটির সঙ্গে অভব্য আচরণ করছে। টানাহ্যাঁচড়ার ফলে কিশোরীর পোশাক ছিঁড়ে ফর্দাফাঁই।

    এই দৃশ্য দেখে ক্ষেপে যায় জনতা। নগ্ন অবস্থাতেই ওই ব্যক্তিকে টেনে বের করা হয় বড় রাস্তায়। শুরু হয় গণধোলাই। প্রথমে কিল-ঘুষি-লাথি। তার পর বাঁশ দিয়ে পেটানো। পেটাতে পেটাতে তাকে টেনে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় একটি মাংসের দোকানে। সেখানে চেপে ধরে মাটিতে শুইয়ে দেওয়া হয়। তার পর চপার দিয়ে কেটে দেওয়া হয় লোকটির পুরুষাঙ্গ এবং তা ছুড়ে ফেলে দেওয়া হয় রাস্তায়।

    এদিকে, খবর পেয়ে পুলিশ এলে তাদের ঘিরে ধরে একপ্রস্থ বিক্ষোভ শুরু হয়। অনেক কষ্টে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, ব্যক্তিটির নাম সুরেশ কুমার। বয়স ৪০ বছর। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

    স্থানীয় ব্যবসায়ী আমির ধাওয়ান বলেন, "রোজ শহরে ইভটিজিং, শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটছে। পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না। আমাদের ঘরের মেয়েরা বাড়ি থেকে বেরোতে পারছে না ভয়ে। যারা এ সব করবে, তাদের এই শাস্তিই একমাত্র প্রাপ্য। এমন হলে ভয়ে আর কেউ মেয়েদের সঙ্গে বদমাইশি করতে সাহস পাবে না।"

    English summary
    Man attempted rape on girl, mob cut his penis off

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more