Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

রক্ষকই ভক্ষক! মহিলা চিকিৎসককে লাগাতার ধর্ষণ পুলিশের, জড়িত সংসদও, শেষ চিঠিতে কী লেখা?

মহারাষ্ট্রে ঘটে গেলো আবারও সেই একই ঘটনা। পুলিশের বিরুদ্ধে উঠলো ধর্ষণের অভিযোগ। মহারাষ্ট্রের এক মহিলা চিকিৎসক এই ধর্ষণের অভিযোগ তুলে আত্মঘাতী হয়েছেন। ওই মহিলা তাঁর বাঁ হাতের তালুতে অভিযুক্তের নাম এবং নিজের মৃত্যুর কারণ লিখে গিয়েছেন। সূত্রের খবর, শুধুমাত্র হাতে নয়, মৃত্যুর আগে ৪ পাতার এক চিঠি লিখে গিয়েছেন তিনি। চার পাতার ওই চিঠি সুইসাইড নোট বলে নানারকম রটনা ছড়িয়েছে। তরুণীর পরিবারের দাবি, ওই চিঠিতে এক সাংসদের নামও উল্লেখ করেছেন তরুণী। তাঁকে দিয়ে অনৈতিক কাজ করিয়ে নেওয়া হতো। অনৈতিক কাজ করানোর জন্য ওই তরুণীকে ফোনে সাংসদ চাপ দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ উঠে আসছে।

মৃত্যুর পর তরুণীর পরিবারের অভিযোগ, তরুণীকে দিয়ে ভুয়ো মেডিক্যাল রিপোর্ট তৈরি করিয়ে নেওয়া হত। তিনি ওই কাজ করতে না চাইলে তাঁকে চাপ দিয়ে ওই কাজে বাধ্য করা হত। ওই চার পাতার চিঠিতেও এরকম অভিযোগ রয়েছে।একটি সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে, ওই চিঠি তারা পড়ে দেখেছে। তাতে লেখা রয়েছে, ভুয়ো মেডিক্যাল রিপোর্ট লেখার জন্য পুলিশের তরফে ওই মহিলা চিকিৎসককে চাপ দেওয়া হত। তরুণীর অভিযোগ, শারীরিক কোনও পরীক্ষা নিরীক্ষা ছাড়াই রিপোর্ট লিখে দিতে হত। ওই তরুণী চিকিৎসক আরও জানিয়েছেন, তিনি এই কাজ করতে না চাইলে মূল অভিযুক্ত সাব-ইনস্পেক্টর এবং অন্যরা তাঁকে হুমকি দিতেন। এমনকি এক সাংসদের কথাও উল্লেখ রয়েছে ওই চিঠির মধ্যে। চিঠিতে এরকমও লেখা, নির্দিষ্ট একটি মেডিক্যাল রিপোর্ট লিখতে রাজি না থাকায় এক সাংসদের দুই ব্যক্তিগত সহকারী, হাসপাতালে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন। তাঁরা সাংসদকে ফোন করে সেই ফোন তরুণীকে ধরিয়ে দেন। তরুণী দাবি করেছেন ফোনে পরোক্ষ ভাবে সাংসদ তাঁকে হুমকি দিয়েছেন। কিন্তু সাংসদের নাম এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।

কিন্তু পুলিশের তরফ থেকে সরকারি ভাবে কোনও চিঠি বা সুইসাইড নোটের কথা এখনো উল্লেখ করা হয়নি। তরুণীর তাঁর হাতের তালুতে মৃত্যুর আগে যা লিখে গিয়েছেন, সেটাই তাঁর শেষ বার্তা বলে মনে করা হচ্ছে।

তরুণী মহারাষ্ট্রের সাতারা জেলার বাসিন্দা ছিলেন। তাঁর পরিবারে অভিযোগ করেছে, ময়নাতদন্তের ভুয়ো রিপোর্টও তৈরি করতে বাধ্য করা হত তাঁকে। দীর্ঘ দিন ধরে এই মানসিক চাপ তিনি সহ্য করছিলেন তিনি। পুলিশের উপরিমহলে অভিযোগ জানিয়েও কোনো লাভ হয়নি বলে জানিয়েছেন মৃতার পরিবার।

গত বৃহস্পতিবার ফলটনের হোটেলের একটি ঘর থেকে তরুণীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি তাঁর বাঁ হাতের তালুতে দু'জনের নাম লিখে গিয়েছেন। প্রথম নামটি এক এসআই-এর। ওই এসআই-এর নাম নিয়ে লেখা হয়েছে, ''উনি আমার মৃত্যুর কারণ। উনি আমাকে চার বার ধর্ষণ করেছেন এবং পাঁচ মাসেরও বেশি সময় ধরে ও আমাকে ধর্ষণ, মানসিক এবং শারীরিক নির্যাতন করেছেন।'' এ ছাড়া, ফলটনের যে বাড়িতে তরুণী ভাড়াটে হিসাবে থাকতেন, সেখানকার মালিকের বিরুদ্ধেও অভিযোগ করেছেন তিনি। হাতে সেই বাড়িওয়ালার নামও লিখেছেন তিনি। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, যে দু'জনের নাম তরুণী লিখে গিয়েছেন তাঁদের খোঁজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। এই ঘটনার পরেই অভিযুক্ত এসআই-কে বরখাস্ত করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মহারাষ্ট্রে রাজনীতির পারদ চড়লে বিজেপির তরফ থেকে উপযুক্ত পদক্ষেপ এবং অভিযুক্তদের শাস্তি নিশ্চিত করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীসের সরকারকে বিরোধীরা সম্মিলিতভাবে আক্রমণ করেছে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+