মহারাষ্ট্র নির্বাচন ২০২৪ : রাজনীতিকদের পরবর্তী প্রজন্মও ভোটের লড়াইয়ে, তালিকায় রয়েছেন ২৬ জন
রাজনৈতিক লড়াইয়ের মঞ্চে চূড়ান্ত প্রস্তুতি মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে। পরিবার সূত্রে রাজনীতির ময়দানে একাধিক প্রার্থী৷ রাজনৈতিকভাবে আধিপত্য রাখা হয়েছে৷ ২০২৪ সালের বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থীদের অনেকেই প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক পরিবারের ছেলে, মেয়ে বা নিকটাত্মীয়।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, জেনারেশন নেক্সটরা ইলেকটিভ মেধা রয়েছে। ভোটারদের সমর্থনও পাওয়া যায়৷ আগে থেকেই একটা ধাপ তৈরি হয়ে থাকে। প্রয়াত আর আর পাটিলের ছেলে রোহিত এবং শরদ পাওয়ারের নাতনি যুগেন্দ্র পাওয়ার এনসিপি (এসসিপি), এমএনএস সুপ্রিমো রাজ ঠাকরের ছেলে অমিত এবং বিজেপি আরএস সদস্য অশোক চ্যাবনের মেয়ে শ্রীজয়া এই তালিকায় অন্যতম।

বামপন্থী কৃষক ও ওয়ার্কার্স পার্টিও এর ব্যতিক্রম নয়। প্রয়াত গণপতরাও দেশমুখের নাতি বাবাসাহেব এবং দলের রাজ্য প্রধান জয়ন্ত পাটিলের পুত্রবধূ চিত্রলেখাও প্রার্থী রয়েছেন। রাজনীতিবিদদের তাদের সন্তান এবং পরিবারের সদস্যদের ভোটের ময়দানে ঠেলে দেওয়ার প্রধান কারণ, রাজনীতিতে পরিবারের আধিপত্য বজায় রাখা।
পরবর্তী প্রজন্মের নেতারা পারিবারিক উত্তরাধিকারের সুবিধা পান। এই পরিবারগুলির হয় একটি জাতি বা সম্প্রদায়ের মধ্যে প্রভাব রয়েছে বা সমবায় এবং শিক্ষা খাতে এবং শিল্পে আধিপত্য রয়েছে। এমনই মনে করেছেন, কোলহাপুরের শিবাজি বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক প্রকাশ পাওয়ার।
রাজনীতিবিদদের কন্যারাও এই পথ অনুসরণ করছেন। মধুরিমারাজে ছত্রপতি, কোলহাপুর রাজপরিবারের সদস্য, প্রাক্তন মন্ত্রী প্রয়াত দিগ্বিজয় খানভিলকরের কন্যা। এবার তিনি কোলহাপুর উত্তর থেকে ভোটে লড়ছেন।প্রাক্তন সাংসদ রাওসাহেব দানভের মেয়ে সঞ্জনা যাদবও ভোটের ময়দানে। শিবসেনার টিকিটে কান্নাড থেকে প্রথম বার প্রার্থী হয়েছেন তিনি।
বর্তমানে মহারাষ্ট্রের শীর্ষ নেতাদের অধিকাংশই রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য। ডেপুটি সিএম দেবেন্দ্র ফড়নবিস এবং অজিত পাওয়ারের পারিবারিক উত্তরাধিকার রয়েছে। ফড়নবিস, যনাগপুরের মেয়র ছিলেন। ১৯৯৯ সালে বিধায়ক হন। তিনি প্রাক্তন বিধায়ক প্রয়াত গঙ্গাধর ফড়নবিসের ছেলে। অজিত পাওয়ার ৩২ বছর বয়সে সাংসদ হন। কাকা শরদ পাওয়ারের ছত্রছায়াতেই রাজনীতিতে তাঁর বেড়ে ওঠা।
যারা এবার আত্মপ্রকাশ করেছেন, তাদের বেশিরভাগের বয়সই ২০ থেকে ৩০ এর মধ্যে। ব্যতিক্রম একজন আছেন। প্রভাবতী ঘোগরে ৫৭ বছর বয়স। কংগ্রেসের টিকিটে শিরডি বিধানসভা আসন থেকে লড়াই করছেন। তার প্রয়াত শ্বশুর, চন্দ্রভান ঘোগরে। তিনি ছিলেন কংগ্রেসের নেতা।












Click it and Unblock the Notifications