পঙ্গপালের হানা রুখতে ব্রিটেন থেকে আমদানি হচ্ছে যন্ত্র, আলোচনা পাকিস্তানের সঙ্গে
রাষ্ট্রসংঘ আগেই সতর্ক করেছিল। চিন্তায় ছিল কৃষিমন্ত্রক। করোনা আতঙ্কের মাঝেই এবার শুরু পঙ্গপালের উৎপাত। ইতিমধ্যে রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ ও উত্তরপ্রদেশের দিকে ধেয়ে এসেছে এই পঙ্গপালের দল। মধ্যপ্রদেশে ও রাজস্থানের বেশ কয়েকটি জেলার ফসল ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। এর জেরে খাদ্যসঙ্কটের আশঙ্কাও প্রবল। এবার এই নতুন সমস্যার সঙ্গে লড়ছে দেশ।

পাকিস্তান থেকে পঙ্গপাল ঢোকে ভারতে
গতবছর ইরান থেকে পাকিস্তানে ঢুকেছিল। এবছর এপ্রিল মাসে পাকিস্তান থেকে ভারতে ঢোকে পঙ্গপাল। সীমান্ত অতিক্রম করে প্রথমে রাজস্থানে, তারপর এক এক করে মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশে সাম্রাজ্য বিস্তার করেছে। পাকিস্তানে পঙ্গপালের উপদ্রবের জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছিল।

পাঁচটি রাজ্যের ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা
এই মুহূর্তে পাঁচটি রাজ্যের ফসল, শাক-সবজি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রক গত সপ্তাহেই সতর্কবার্তা দিয়েছিল। কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রকের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, রাজস্থান, পঞ্জাব, হরিয়ানা ও মধ্যপ্রদেশে পঙ্গপাল হানার সম্ভবনা রয়েছে। বর্তমানে রাজস্থান সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্ত। উত্তরপ্রদেশেও পঙ্গপাল হানার আশঙ্কা রয়েছে। দিল্লি ও মহারাষ্ট্রের জন্যও সতর্কবার্তা রয়েছে।

৮১০টি ট্রাক্টর প্রস্তুত রাখা হয়েছে উত্তরপ্রদেশে
উত্তরপ্রদেশের কৃষি বিভাগের মতে, পঙ্গপালের এই বড় দল একঘণ্টার মধ্যে এক একর ফসল খেয়ে নিতে পারে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে উত্তরপ্রদেশের কৃষি বিভাগ কৃষকদের আলাদা করে প্রশিক্ষণ দিতে শুরু করেছে। আগ্রায় পঙ্গপাল মোকাবিলার জন্য রাসায়নিক স্প্রে সহ ৮১০টি ট্রাক্টর প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে। এছাড়া ১২০টি সার্ভে কার ও ৪৭টি কন্ট্রোল কারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

সমস্যার বিষয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে ভারত
ইতিমধ্যেই পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা করেছে ভারত সরকার। ড্রোনের মাধ্যমে পঙ্গপালের গতিবিধির উপর নজর রাখা হচ্ছে। পঙ্গপাল দমনে ব্রিটেন থেকে নানা যন্ত্রপাতির আমদানিও করা হচ্ছে। পাশাপাশি যে এলাকাগুলিতে প্রবেশের সম্ভাবনা রয়েছে, সেখানে ড্রোন, বিশেষ স্প্রে ও নানা সরঞ্জামের ব্যবস্থা করা হয়েছে। একযোগে লড়াউ করছে সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলির কৃষিদপ্তরও।












Click it and Unblock the Notifications