বিজেপি সংসদীয় বোর্ড থেকে বাদ, আরও কোণঠাসা আদবানি, যোশী

লালকৃষ্ণ আদবানির সঙ্গে নরেন্দ্র মোদীর ঠান্ডা লড়াই নতুন কিছু নয়। লোকসভা ভোটের আগে প্রধানমন্ত্রী পদে যখন নরেন্দ্র মোদীর নাম ঘোষণা করেছিলেন তৎকালীন দলীয় সভাপতি রাজনাথ সিং, তখন সবচেয়ে বিরোধিতা করেছিলেন 'ভীষ্ম' লালকৃষ্ণ আদবানিই। নির্বাচনী রণকৌশল তৈরির সময়ও বিভিন্ন সময় তিনি নরেন্দ্র মোদীর বিরোধিতা করেন। সঙ্গত দিয়েছিলেন মুরলীমনোহর যোশীও। তাই ক্ষমতায় আসার পর স্বাভাবিকভাবেই এঁরা বাদ যান মন্ত্রীসভা থেকে। লালকৃষ্ণ আদবানির লোকসভার স্পিকার হওয়ার বাসনা থাকলেও তাতে বাধ সাধা হয়। এ বার কুলীন সংসদীয় বোর্ড থেকেও তাঁকে ছেঁটে ফেলা হল।
তবে লক্ষণীয় ব্যাপার, লালকৃষ্ণ আদবানির 'ভাবশিষ্য' বলে পরিচিত মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানকে জায়গা দেওয়া হয়েছে সংসদীয় বোর্ডে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, অপেক্ষাকৃত তরুণ শিবরাজ সিং চৌহানকে জায়গা দিয়ে বিদ্রোহ দানা পাকানোর সম্ভাবনা অঙ্কুরেই বিনাশ করলেন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ।
ঠিক হয়েছে লালকৃষ্ণ আদবানি ও মুরলীমনোহর যোশী থাকবেন মার্গদর্শক মণ্ডলীতে। এই মণ্ডলীর কাজ হবে দলকে পথ দেখানো! এই দু'জন ছাড়া প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীকেও সংসদীয় বোর্ড থেকে সরিয়ে রাখা হয়েছে মার্গদর্শক মণ্ডলীতে। যদিও শারীরিক কারণে দীর্ঘদিন ধরেই অটলবিহারী বাজপেয়ী দলের কাজে যুক্ত নন। মার্গদর্শক মণ্ডলীতে এ ছাড়া থাকছেন নরেন্দ্র মোদী, রাজনাথ সিং প্রমুখ। তবে আদবানি ও যোশীকে কোণঠাসা করার কথা মানতে চাননি বিজেপি নেতারা। তাঁদের মতে, দু'জনেরই ৭৫ বছরের বেশি বয়স। এই বয়সে বরং তাঁরা তাঁদের 'অমূল্য অভিজ্ঞতা' দিয়ে পথ দেখান দলকে!












Click it and Unblock the Notifications