• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

বাংলা থেকে শিক্ষা, পোল–বাউন্ড রাজ্যে জনসভা–নির্বাচনী যাত্রার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করবে কমিশন

Google Oneindia Bengali News

দেশ যখন কোভিড–১৯–এর দ্বিতীয় ওয়েভের ধাক্কায় কপোকাৎ, সেই সময় প্রায় একমাস সিদ্ধান্তহীনতার পর, নির্বাচন কমিশন অবশেষে এ বছরের গোড়ার দিকে পশ্চিমবঙ্গে সমস্ত বড় রোড শো ও বিরাট জনসভার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। ২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গ থেকে শিক্ষা নিয়ে আবারও সেরকমই সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের আতঙ্কের জন্য পাঁচটি পোল–বাউন্ড রাজ্যে শুরু থেকেই এ ধরনের নিষেধাজ্ঞাই জারি হতে চলেছে।

পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের অভিজ্ঞতা

পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের অভিজ্ঞতা

উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, এ বছরের ৯ থেকে ২২ এপ্রিল, নির্বাচন কমিশন এই সময়ের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে জনসভা করার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল, যদি কোভিড-১৯-এর কঠোর বিধি পালন না করা হয় এবং এটা জারি করা হয়েছিল রাজ্যের নির্বাচনের দু'‌টি পর্যায়ের সময়। এরপরই দেখা যায় রাজ্যে সক্রিয় করোনা কেস তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়ে ৬৯ হাজারে গিয়ে পৌঁছায়, পজিটিভ কেসের হার ১০ শতাংশ থেকে দ্বিগুণ হয়ে ২২ শতাংশের বেশি হয় এবং দৈনিক করোনা কেস ৩,৬০০ থেকে বেড়ে ১২ হাজার হয়ে যায়। বাংলায় নির্বাচন চলাকালীন তিন প্রার্থীর কোভিডে মৃত্যু পর্যন্ত হয়। এরপরই নির্বাচন কমিশন বলে, '‌ক্ষোভের সঙ্গে লক্ষ্য করা গিয়েছে যে অনেক রাজনৈতিক দল/‌প্রার্থীরা জনসমাবেশের সময় সুরক্ষা বিধি মেনে চলছে না, তাই সম্পূর্ণরূপে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হল।'‌

 উত্তরপ্রদেশে শুরু হয়ে গিয়েছে প্রচার–জনসভা

উত্তরপ্রদেশে শুরু হয়ে গিয়েছে প্রচার–জনসভা

এই কঠিন তথ্যগুলি নির্বাচন কমিশনের কাছে রয়েছে, যারা এরপরই আগামী মাসের গোড়র দিকে কমিশন পাঁচ পোল-বাউন্ড রাজ্যের নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করবে। এর মধ্যে আবার রয়েছে উত্তরপ্রদেশ, যেখানে বিজেপি ও সমাজবাদী পার্টির বিশাল জনসভা ও নির্বাচনী প্রচারকে ঘিরে বিশাল সমাবেশ আগেও লক্ষ্য করা গিয়েছে। এইসব জনসভাগুলিতে ব্যাপক ভিড় হয়। তবে এতকিছুর মধ্যেও মনে করা হচ্ছে বিধানসভা নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়া হবে না এবং নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ফেব্রুয়ারি-মার্চেই হবে। আর এই সময়েই ভারতে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট শিখরে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

রাজ্যগুলি কি কি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে

রাজ্যগুলি কি কি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে

আসুন প্রথমে দেখে নেওয়া যাক এখনও পর্যন্ত রাজ্যগুলিতে কি কি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে যাতে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার কোনও কারণ না পাওয়া যায়। দেখা গিয়েছে, অনেক রাজ্যেই নৈশ কার্ফু জারি করা হয়েছে, মঙ্গলবার থেকে দিল্লিতে হাল্কা লকডাউন জারি করা হয়েছে এবং পোল-বাউন্ড পাঞ্জাবে জনবহুল এলাকায় টিকাকরণ ছাড়া সকলের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে। গত ২১ ডিসেম্বর, দেশে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের কেস বৃদ্ধির পর স্বাস্থ্য মন্ত্রক প্রত্যেক রাজ্যের জন্য নির্দেশিকা জারি করে, সেখানে বলা হয় যে বিপুল জনসমাবেশের ওপর '‌কড়া নিষেধাজ্ঞা'‌ জারি রয়েছে। অন্যদিকে, উত্তরপ্রদেশে চলমান সমাবেশ এবং নির্বাচনী সমাবেশ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে, স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ ২৪ ডিসেম্বর একই নির্দেশিকা জারি আছে বলে নির্দেশ করেছিলেন। তবে এখানে স্পষ্ট উত্তরপ্রদেশের মতো কোনও পোল-বাউন্ড রাজ্য এই নির্দেশিকাগুলি অনুসরণ করছে বলে মনে হচ্ছে না কারণ বিজেপির শীর্ষ নেতারা সম্পূর্ণ প্রচারের মেজাজে রয়েছেন এবং অখিলেশ যাদব তার নির্বাচনী যাত্রা চালিয়ে যাচ্ছেন।

ওমিক্রন পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছে নির্বাচন কমিশন

ওমিক্রন পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছে নির্বাচন কমিশন

অন্যদিকে, কেন্দ্র রাজ্যগুলির উপর দায় চাপানোর সময়, এটি বলেছে যে নির্বাচনী প্রচার নিয়ন্ত্রণে নির্বাচন কমিশনের থেকে কোনও নির্দেশিকা জারি করা হয়নি। এ প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে যে তাদের ভূমিকা কেবল তখনই শুরু হয় যখন আদর্শ আচরণবিধি চালু হবে, যা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার দিন থেকে হবে। এখনও পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন ওমিক্রন পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করেছে এবং তারা জানিয়েছে যে পোল-বাউন্ড উত্তরপ্রদেশে দ্বিতীয় ডোজের টিকাকরণের হার জাতীয় গড় হার ৬২ শতাংশের চেয়ে নীচে রয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের কোর্টে বল

নির্বাচন কমিশনের কোর্টে বল

সুতরাং নির্বাচন কমিশন কি পাঁচটি রাজ্যের নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করার সময় জনসমাবেশ এবং নির্বাচনী প্রচারের সময় অনুসরণ করা সামাজিক দূরত্বের নিয়মগুলির জন্য প্রথম নির্দেশিকা জারি করার স্বাভাবিক পথে নামবে? যদিও পশ্চিমবঙ্গের অভিজ্ঞতা থেকে এটা জানা যাচ্ছে যে এই পদ্ধতির তখন কোনও প্রভাব পড়েনি, এমনকি একটি কঠোর সতর্কতা এবং সন্ধ্যার সময় প্রচার কমানো হয়েছিল, তাও কোনওভাবে সংক্রমণ রোখা যায়নি। প্রসঙ্গত, বাংলায় শেষ দুই দফার নির্বাচনের সময় নির্বাচন কমিশন সমস্ত রোড শোয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে এবং জনসভায় ৫০০ জনের বেশি কারোর প্রবেশ নয় বলে নির্দেশিকা জারি করে। দেশজুড়ে যেভাবে ওমিক্রনের কারণে কোভিড কেস বাড়ছে তাতে করে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার সময় এই ধরনের নিষেধাজ্ঞাও যদি ঘোষণা করে তবে নির্বাচন কমিশন বুদ্ধিমানের কাজ করবে। একদিকে যখন দিনের বেলা রাজনৈতিক দলগুলি বড় বড় সমাবেশে হাজির হবে তখন কোনওভাবেই দেশের মানুষকে সিনেমা হল, জিম, স্পাতে যাওয়া নিয়ে আটকানো যাবে না এবং মানুষ রাতের কার্ফু মেনে চলবে বলেও আশা করা যাচ্ছে না।


English summary
learn from west bengal commission to ban on rallies and poll yatras in poll bound states
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X