ভোটের লড়াইয়ের মাঝেই সিপিএম ছেড়ে কংগ্রেসে যোগদান
রাজ্যে বামেদের সঙ্গে কংগ্রেসের জোটের রফাসূত্র ঘিরে একাধিক তথ্য উছতে শুরু করেছে। আববাস ফ্যাক্টরকে সঙ্গে নিয়েই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে রীতিমতো তোলপাড় হচ্ছে পরিস্থিতি। এমন এক পরিস্থিতিতে বাম ও কংগ্রেস, আব্বাসদের মধ্যে রাজ্যে আসন রফা কার্যত 'মাঝ মাঠে'! এদিকে, কেরলে বাম ও কংগ্রেসের মধ্যে ঘটে গেল নেতাদের দলবদলের ঘটনা।

জোট-জটের বল মাঝ মাঠে!
বাংলায় বাম,কংগ্রেস ও আব্বাসের আইএসএফের মধ্যে জোটের জট এখনও সেভাবে কাটেনি। তিনপক্ষ ব্রিগেডে সমাবেশে হাতে হাত রাখলেও আসন রফা নিয়ে কার্যত এখনও কোনও তথ্য মিলছে না। কে কোন আসনে লড়তে পারেন, তা নিয়ে দ্বন্দ্ব থেকে যাচ্ছে । মূলত কংগ্রেস ও আইএসএফের মধ্যে ৭ টি আসন নিয়ে জট অব্যাহত থেকেছে। কংগ্রেসের সাফ দাবি তারা ৯২ এর নিচে আসন সংখ্যায় নামবে না। এমনই তথ্য সূত্র মারফৎ মিলছে।

সিপিএম নেতা দল ছেড়ে কংগ্রেসে
এদিকে বাংলায় দুই রাজ্যের মধ্যে যখন এমন পরিস্থিতি তখন কেরলে বামেদের ছেড়ে কংগ্রেসের যোগ দিলেন আদিবাসী ক্ষেমা সমিতির সিপিএম নেতা ই এ শঙ্করন। মূলত বাংলায় বাম কংগ্রেস জোট বাঁধলেও কেরলে এই দুই পার্টি এবার হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে নামছে। তার আগে একুশের ভোট পরিস্থিতিতে এই দলবদল নিঃসন্দেহে একটি বড় বিষয়। (প্রতীকী ছবি)

ওয়েনাদের সুলতান বাথেরি কেন্দ্রে জট!
প্রসঙ্গত, কেরলের স্বপ্নসুন্দর ওয়েনাদে সুলতান বাথেরি কেন্দ্রে ২০১১ সালে প্রার্থী হন শঙ্করন। এরপর তাঁকে সেখান থেকে কংগ্রেসের টিকিটে প্রার্থী করা হবে বলে বার্তা দেন স্থানীয় কংগ্রেস নেতা আইসি বালাকৃষ্ণাণ। এই বক্তব্য ফেসবুকে পোস্ট করেন শঙ্করনষ। যদিও সেই পোস্ট তিনি লেখেননি বলে পরে দাবি করেন শঙ্করন।

বামেরা কী জানিয়েছে?
এদিকে শঙ্করনকে নিয়ে ভোটের আগে অস্বস্তিতে পড়ে গিয়েছ স্থানীয় বাম নেতৃত্ব। সিপিঅমের তরফে সাফ জানানো হয়েছে, শঙ্করনকে পার্টি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বহু আগেই। তারপরই তিনি কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন বলে বামেদের দাবি।












Click it and Unblock the Notifications