২০২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত Work From Home করার পরামর্শ সরকারের! জেনে নিন নিয়ম
করোনা সংক্রমণের কারণে বেশিরভাগ সংস্থাই তাঁদের কর্মচারীদের ঘরে বসে কাজ করাচ্ছে। দেশে Work From Home Culture অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। দেশে এখনও করোনার সংক্রমণ চলছে। এই অবস্থায় আবার তৃতীয় ওয়েভের আশঙ্কা। আর এই অবস্থায় অনেক সংস্থ
করোনা সংক্রমণের কারণে বেশিরভাগ সংস্থাই তাঁদের কর্মচারীদের ঘরে বসে কাজ করাচ্ছে। দেশে Work From Home Culture অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। দেশে এখনও করোনার সংক্রমণ চলছে। এই অবস্থায় আবার তৃতীয় ওয়েভের আশঙ্কা। আর এই অবস্থায় অনেক সংস্থাই Work From Home বাড়িয়েছে।
তবে কর্নাটকে একটা নয়া সমস্যা সামনে এসেছে। সে রাজ্যে আউটর রিং রোডে প্রস্তাবিত মেট্রোর কাজ চলছে। যার কারণে রাস্তায় বের হলে ব্যাপক সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
প্রত্যেকদিন যানজটের শিকার হতে হচ্ছে নিত্যযাত্রীদের। এই অবস্থা দেখে সে রাজ্যের একাধিক সংস্থাকে যেমন ইলেকট্রনিক্স বিভাগ, আইটি, TV & Science & Technology সংস্থাগুলিকে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে।
সেই চিঠিতে সে রাজ্যের সমস্ত সংস্থাগুলিকে আগামী ২০২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত Work From Home অবস্থাতে কর্মীদের কাজ করানোর আবেদন করা হয়েছে।

জারি করা হয়েছে অ্যাডভাইজারি!
মেট্রো রেল কর্পোরেশনের কাজে গতি দেখে এই চিঠি দেওয় হয়েছে। আউটোর রিং রোড থেকে সিল্ক বোর্ড হয়ে কেআর পুরম হয়ে প্রস্তাবিত মেট্রো রেলের কাজ চলছে। আর এই কাজের ফলে কর্মচারীদের বিভিন্ন ধরনের সমস্যর মধ্যে পড়তে হচ্ছে।
সে রাজ্যের সরকারের ইলেকট্রনিক্স বিভাগের অ্যাডিশনাল চিফ সেক্রেটারি রমনা রেড্ডি জানিয়েছেন, এই কাজ আগামী দেশ থেকে দুবছর পর্যন্ত চলতে পারে। এই অবস্থায় সমস্ত সংস্থাকে কার্যত সরকারের তরফে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যে আপাতত ঘরে বসে কাজ করানোর।

পরামর্শে আরও কি বলা হচ্ছে
অন্যদিকে urban land transport এর তরফে এক আধিকারিক জানিয়েছেন, আমাদের কর্মীদের আর Work From Home বাড়ানো সম্ভব নয়। তবে এই বিষয়টি অবশ্যই ভেবে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন ওই আধিকারিক। তবে ওই আধিকারিকের বক্তব্য সংস্থাগুলি তাঁদের কর্মচারীদের বাইকের মাধ্যমে যাতায়াত করার জন্যে পরামর্শ দিতে পারে।
তবে এই বিষয়ে কোনও নির্দেশ নয়, পুরোটা পরামর্শ হিসাবে বলা হয়েছে। তবে সুবিধা মতো সংস্থাগুলি তাঁদের কাজ করাতে পারবে বলেও জানানো হয়েছে।

সংস্থাগুলির উপর ছাড়া হয়েছে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
সরকারের এক আধিকারিক জানাচ্ছেন পুরোটাই পরামর্শ হিসাবে সংস্থাগুলিকে আবেদন করা হয়েছে মাত্র। এই বিষয়টি চালু করা কিংবা না করা সবটাই সংস্থার উপর নির্ভর করবে বলে জানানো হয়েছে। অর্থাৎ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সরকার। সংস্থাগুলিকে এই পরামর্শ মানতেই হবে এমন কোনও বাধ্যবাধকতা দেওয়া হয়নি বলেই জানানো হয়েছে।
প্রয়োজনে সংস্থা গুলি অফিস থেকেও কাজ শুরু করতে পারে বলে জানানো হয়েছে। সরকারের তরফে এটি পরামর্শ হিসাবে দেওয়া হয়েছে যাতে রাস্তায় বেরিয়ে কর্মচারীদের কোনও সমস্যার মধ্যে না পড়তে হয়।

কয়েক হাজার কর্মী কাজ করেন
সে রাজ্যে কয়েক হাজার কর্মচারী কাজ করে। যদিও এর মধ্যে মাত্র ৫ শতাংশ লোক কাজে ফিরতে পেরেছে। বেশির ভাগ সংস্থা সে রাজ্যে পাকাপাকিভাবে বাড়িতে বসেই কর্মীদের কাজের সুবিধা দিচ্ছে। তবে বহু সংস্থা রয়েছে যারা এখনও এই বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। বিশেষ করে রিটেল ব্যবসাতে যারা কাজ করেন তাদের প্রত্যেকদিন কাজে যেতে হচ্ছে। বিশেষ করে সামনেই থার্ড ওয়েভ আছড়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা গবেষকদের। এই অবস্থায় সরকারের প্রস্তাব রাখা হবে নাকি ধীরে ধীরে সংস্থাগুলি খোলা হবে সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত সময়ে জানা যাবে।












Click it and Unblock the Notifications