ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত চিকিৎস সুস্থ হওয়ার ১৪ দিনের মধ্যে ফের কোভিড পজিটিভ কর্নাটকের চিকিৎসক
ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত চিকিৎস সুস্থ হওয়ার ১৪ দিনের মধ্যে ফের কোভিড পজিটিভ কর্নাটকের চিকিৎসক
করোনার ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট থাবা বসিয়েছে ভারতে। কর্নাটকেই প্রথম েয চিকিৎসকের মধ্যে এই ভ্যারিয়েন্টের সন্ধান মিলেছিল। তিনি ফের করোনা আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। প্রথম সংক্রমণ সেরে যাওয়ার ১৪ দিনের মাথায় ফের করোনা আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। কর্নাটকের স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে এমনই জানানো হয়েছে।

সূত্রের খবর যে হাসপাতালে তাঁর িচকিৎসা চলছিল। সেই হাসপাতালের চিকিৎসায় তিনি প্রায় সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন। তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছাড়ার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছিল। একেবারেই সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন তিনি। কোনও রকম উপসর্গও তাঁর শরীরে ছিল না। তারপরেই রিপোর্ট দেখে চমকে উঠেছেন চিকিৎসকরা। তারপরেই ফের হাসপাতালে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে রোগীকে। অথচ তাঁর সংস্পর্শে আসা তিনজনের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট কিন্তু নেগেটিভ এসেছে। তবে এখনও পর্যন্ত জেনম সিকোয়েন্সের রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসেনি।
তাই জেনম সিকোয়েন্সের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত তাঁদের হাসপাতালেই রাখা হয়েছে। কারণ আরটি-পিসিআর টেস্টের রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। এদিকে পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে ওমিক্রন আক্রান্ত ডাক্তারের ভাইরাল লোড অমনেকটাই কমে গিয়েছে। গত ২২ নভেম্বর করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। কর্নাটকে ফিরেই করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। তাঁর সরাসরি সংক্রমণে এসেছিলেন ১৩ জন এবং সেকেন্ডারি কনট্যাক্টে এসেছিলেন ২০৫ জন।
ভারতে ইতিমধ্যেই একাধিক শহরে ছড়িয়ে পড়েছে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ। মহারাষ্ট্র, কর্নাটকেও ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। কিন্তু যে আশঙ্কা করা হচ্ছে সেই দ্রুততার সঙ্গে কিন্তু এখনও ছড়াতে শুরু করেনি ওমিক্রন। এদিকে গবেষকরা দাবি করেছেন ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে অনেক বেশি সংক্রমক। ডেল্টার থেকে ৩ গুন সংক্রমক ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট। সাধারণ করোনা টিকা প্রতিরোধ করতে পারবে না এই ভ্যারিয়েন্টকে। তার জন্য বুস্টার ডোজের প্রয়োজন বলে দাবি করেছেন গবেষকরা। ইতিমধ্যেই সিরাম ইনস্টিটিউট বুস্টার ডোজের অনুমোদন চেয়ে ফেলেছে। কিন্তু এখনও তার অনুমোদন দেয়নি ড্রাগ কন্ট্রোলার।
ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট শিশুদের তেমন কাবু করতে পারবে না বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। দক্ষিণ আফ্রিকায় শিশুদের মধ্যে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ দেখা গেলেও সেটা মারাত্মক কিছু নয় বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।এদিকে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টকে সামনে রেখে করোনা টিকাকরণে জোর দেওয়া হয়েছে। একাধিক রাজ্যে করোনা টিকাকরণ গতি পেয়েছে। যার জেরে ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কিন্তু কমতে শুরু করেছে। ওমিক্রন সংক্রমণ রুখতে প্রথম থেকেই তৎপর ছিল কেন্দ্র। আন্তর্জাতিক উড়ান এবং যাত্রীদের উপর কড়া নজরদারি চালানো হয়েছে। আরটিপিসিআর পরীক্ষা ছাড়া আন্তর্জাতিক উড়ানের কোনও যাত্রীই বিমানবন্দর থেকে বেরোতে পারবেন না বলে নির্দেশিকা জারি করা হয়। সেই মতই কাজ হচ্ছিল। মোদী সরকারে এই পদক্ষেপের জেরেই অনেকটা ওমিক্রনের সংক্রমণ রোখা গিয়েছে বলে মনে করছেন গবেষকরা। তার সঙ্গে কাজ দিয়েছে কোভিড টিকাকরণ।












Click it and Unblock the Notifications