১৫ বার কোপানো হয়েছিল কমলেশকে, ময়নাতদন্তে উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য
অবশেষে প্রকাশ্যে এলো হিন্দু সমাজ পার্টির নেতা কমলেশ তিওয়ারির ময়নাতদন্তের রিপোর্ট। তাতে জানা গিয়েছে আততায়ীরা নৃশংসভাবে ১৫ বার কুপিয়েছিল কমলেশকে। প্রত্যেকটি আঘাত করা হয়েছিল চোয়াল থেকে বুক পর্যন্ত।
অবশেষে প্রকাশ্যে এলো হিন্দু সমাজ পার্টির নেতা কমলেশ তিওয়ারির ময়নাতদন্তের রিপোর্ট। তাতে জানা গিয়েছে আততায়ীরা নৃশংসভাবে ১৫ বার কুপিয়েছিল কমলেশকে। প্রত্যেকটি আঘাত করা হয়েছিল চোয়াল থেকে বুক পর্যন্ত। যাতে কোনও ভাবেই বাঁচতে না পারে সেকারণে গুলিও করা হয়।

১৫ বার কোপ কমলেশকে
চোয়াল থেকে বুক পর্যন্ত ১৫টি গভীর কোপের চিহ্ন মিলেছে কমলেশের শরীরে। প্রায় ১০ সেন্টিমিটার গভীর সেই কোপ ছিল প্রত্যেকটি। গলায় ছিল দুটি আরও গভীর কোপ। এমনভাবে আঘাত করা হয়েছিল যাতে কোনভাবেই বাঁচতে না পারেন কমলেশ। পুরোটাই সুপরিকল্পিত ভাবে করা হয়েছিল সেটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে কমলেশের ময়নাতদন্তের রিপোর্টে।

মৃত্যু সুনিশ্চিত করতে গুলি করা হয়েছিল
১৫ বার কোপানের পরেও যাতে কোনও ভাবে বাঁচার সম্ভাবনা না থাকে সেজন্য গুলি চালিেয়ছিল আততায়ীরা। কমলেশের মুখে গুলি করা হয়েছিল। পয়েন্ট ৩২ বুলেট পাওয়া গিয়েছে কমলেশের খুলি থেকে। এতোটাই নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছিল কমলেশকে। মিষ্টির বাক্সে করে অস্ত্র লুকিেয় এনেছিল আততায়ীরা।

গ্রেফতার হয়েছে কমলেশের দুই হত্যাকারী
আজই গুজরাট-রাজস্থানের সীমানা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে কমলেশ তিওয়ারির দুই হত্যাকারীকে। আসফাক শেখ(৩৪) এবং মইনুদ্দিন পাঠান(২৭) ধৃত দুই হত্যাকারীই পুলিসের কাছে স্বীকার করেছে কমলেশকে হত্যার কথা। খুন করার পর তারা নেপালে পালিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু টাকা ফুরিয়ে যাওয়ায় পরিবারের লোকেদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তারা। পুলিস আগে থেকেই তাঁদের পরিবারের উপর নজর রেখেছিল। সেটাকে কাজে লাগিয়েই গ্রেফতার করা হয়েছে দুই গুজরাটের বাসিন্দাকে।
কমলেশ তিওয়ারির হত্যাকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে গুজরাটের সুরাট থেকে আর নাগপুর থেকে গ্রেফতার হয়েছে একজন।












Click it and Unblock the Notifications