অনুষ্ঠানের বাতিলের সঙ্গে খুনের দিনও পরিবর্তন! হিন্দু নেতা কমলেশ তিওয়ারি হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য
পরিকল্পনার দুদিন আগেই খুন করা হয় হিন্দু সমাজ পার্টির নেনতা কমলেশ তিওয়ারিকে।
পরিকল্পনার দুদিন আগেই খুন করা হয় হিন্দু সমাজ পার্টির নেনতা কমলেশ তিওয়ারিকে। প্রাথমিকভাবে একটি অনুষ্ঠানে তাঁকে খুনের চক্রান্ত করা হয়েছিল ২০ অক্টোবর। কিন্তু সেই অনুষ্ঠান বাতিল হয়ে যাওয়ায় খুনের দিনও পরিবর্তিত হয়। হত্যাকারীরা ১৮ অক্টোবর শুক্রবার খুন করে কমলেশকে।

এই হত্যাকাণ্ডে দুই প্রধান অভিযুক্ত আসফাক শেখ এবং মইনুদ্দিন পাঠান। ১৮ অক্টোবর তিওয়ারিকে তাঁর বাড়ি লখনৌ-এর নাকাহিন্দোলাতেই হত্যা করা হয়। ২০১৫ সালে ঘৃণাসূচক ভাষণ দেওয়ার জন্যই তাঁকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
তিওয়ারির পোস্ট মর্টেম রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, তাঁকে অন্তত ১৫ বার ছুরি মারা হয়েছিল। শরীরে ওপরের অংশে মুখ থেকে বুকের মধ্যেই এই ছুরি মারা হয়। আর সব ক্ষতই হয়েছিল একে অপরের ১০ সেমির মধ্যে। এছাড়াও দুটি ক্ষত পাওয়া গিয়েছিল ঘাড়ে। এর থেকে অনুমান করা হচ্ছে ঘাতকরা কমলেশ তিওয়ারির গলা কাটতে গিয়েছিল।
পোস্ট মর্টেমের সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, পয়েন্ট ৩২ বুলেটের ক্ষত চিহ্ন মিলেছে মাথার খুলির পিছনের দিকে। খুনের একদিন পরেই পুলিশ জানিয়েছিল, এর পরিকল্পনা করা হয়েছিল দুমাস
আগে।
গুজরাত পুলবিসের অ্যান্টি টেররিজম স্কোয়াড মঙ্গলবার আসফাক শেখ এবং মইনুদ্দিন পাঠানকে গ্রেফতার করে। রাজস্থান থেকে গুজরাতে ঢোকার সময় এই দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। এরা দুজনই সুরাতের বাসিন্দা। আসফাক শেখ মেডিক্যাল রিপ্রেসেন্টেটিভ হিসেবে কাজ করত। অন্যদিকে পাঠান কুজ করত ফুড ডেলিভারি বয় হিসেবে।
পুলিশের টেকনিক্যাল টিম দুজনের ওপর নজরদারি শুরু করে। যখনই তারা পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে, সেই সময় তাদের অবস্থানও চিহ্নিত করে ফেলে পুলিশ। পুলিশের দাবি, টাকা ফুরিয়ে যাওয়ার কারণেই পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা তারা। দুজনকেই উত্তর প্রদেশ পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হবে।












Click it and Unblock the Notifications