বিশ্ববিদ্যালয়ে তাণ্ডবের ঘটনার প্রতিবাদে সরকারি প্যানেল ছাড়লেন জেএনইউ প্রফেসর

জেএনইউ-র প্রফেসর সিপি চন্দ্রশেখরকে সরকার তাদের প্যানেলে নিযুক্ত করেছিল দেশএর অর্থনৈতিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার জন্যে। সেই প্যানেলের বৈঠক বসার কথা ছিল আগামীকাল, অর্থাৎ বুধবার। তার একদিন আগেই, আজ, মঙ্গলবার সেই প্যানেল থেকে সরে দাঁডড়ালেন প্রফেসর। তিনি জানান, তাঁর বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটে যাওয়া এই তাণ্ডবের কারণে তিনি মর্মাহত। এবং তিনি বুধবারের সেই বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারবেন না।

'আমি মর্মাহত'

'আমি মর্মাহত'

বুধবার বৈঠকে উপস্থিতি থাকতে পারবেন না বলে জানিয়ে দেওয়ার পর তিনি তাঁর পদত্যাগ পত্র পাঠিয়ে দেন সরকারের কাছে। তিনি বলেন, 'আমি খুব দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে জেএনইউ-তে যে পরিস্থিতি রয়েছে তাতে আমার পক্ষে আগামীকালকের বৈঠকে উপস্থিত হওয়া সম্ভব নয়।' এরপর তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, 'আমি মর্মাহত এটা দেখে যে কী ভাবে সবাই একটা গল্প বানিয়ে বাকি দেশকে এটা বিশ্বাস করাতে চাইছে যে জেএনইউ-তে ভারত বিরোধীরা থাকে।'

'পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ করছে না সরকার'

'পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ করছে না সরকার'

নিজের পদত্যাগ পত্রে প্রফেসর চন্দ্রশেখর আরও লেখেন, 'বর্তমান পরিস্থিতিতে আমার মনে হয় না যে এই প্যনেল একটি নিরপেক্ষ এবং স্বচ্ছ রিপোর্ট পেশ করতে পারবে। কারণ রাজনৈতিক কারণে অনেক ক্ষেত্রএই সরকারের পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ পাচ্ছে না। এই ক্ষেত্রে আমি এই কমিটিতে থেকে কাজ করতে পারব না।'

রবিবাক বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে চলে তাণ্ডব

রবিবাক বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে চলে তাণ্ডব

দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে রবিবার সন্ধ্যায় হামলা চালায় অজ্ঞাত পরিচয় দুষ্কৃতীরা। যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ছাত্র ও আক্রান্ত শিক্ষকদের অভিযোগর তির আরএসএস-এর ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের দিকে। রবিবারের হামলায় জেএনইউ ছাত্র সংগঠনের সভাপতি ঐশী ঘোষ সহ ৩৪ জন ছাত্র বা শিক্ষক জখম হয়ে ভর্তি করা হয় দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিকাল সায়েন্সে। পরে সোমবার সকালে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্কক্রিয়তার অভিযোগ

পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্কক্রিয়তার অভিযোগ

হস্টেলের ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে সম্প্রতি সরব হয়েছিল জেএনইউ। সেই রেশেই রবিবার সন্ধ্যে ৬টা নাগাদ শান্তিপূর্ণ মিছিলের ডাক দেন জেএনইউএর টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন। সেখানেই শুরু হয় অতর্কিত হামলা। ঘটনার কথা জানিয়ে পুলিশকে ডাকা হলে ক্যাম্পাসে আসে প্রায় ৭০০ পুলিশকর্মী। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সাড়ে সাতটা নাগাদ। যদিও তাণ্ডব তখনও চলছে। অভিযোগ উঠেছে পুলিশের সামনে অ্যাম্বুলেন্স ভাঙা হলেও পুলিশ চুপচাপ দাঁড়িয়ে ছিল। শুধু মাঝে মাঝে একজন দুজনকে পুলিশ আটকাচ্ছিল। তবে তারা কোনও দৃঢ় পদক্ষেপ নেয়নি।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+