'জেনোফোবিক' মন্তব্য প্রত্যাখ্যান! জো বাইডেনকে 'ভারতের রাস্তা' দেখালেন জয়শঙ্কর

সাম্প্রতিক সময়ে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ভারতকে জেনোফেবিক বলে বর্ণনা করেছিলেন। এদিন ভারদের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সেই মন্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেছেন, ভারতে বিভিন্ন সমাজের ব্যক্তিদের প্রতি খোলামেলা ও আতিথেয়তার ইতিহাস রয়েছে। ভারতের সমাজ সবসময়ই অন্য লোকেদের জন্য উন্মুক্ত ছিল।

এএনআই-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে, ভারতের বিদেশমন্ত্রী ভারতের অর্থনীতিতে ক্ষতির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন চালু করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সরকারের স্বাগতিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রদর্শন করেছেন।

S jaishankar

  • কী বলেছিলেন বাইডেন

প্রসঙ্গত, গত দোসরা মে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছিলেন, ভারত, চিন, জাপান ও রাশিয়ার জেনোফোবিক প্রকৃতি তাদের অর্থনৈতিক সমস্যার জন্য দায়ী। তিনি দাবি করেছিলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি বাড়ছে, কারণ তারা অভিবাসীদের স্বাগত জানায়। তিনি বলেছিলেন, রাশিয়া-দিনের সঙ্গে জাপান যদি অভিবাসনকে আরও বেশি গ্রহণ করে, তাহলে অর্থনীতি ভাল হবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেন, তারা অভিবাসীদের স্বাগত জানান। তিনি প্রশ্ন করেন, চিন অর্থনৈতিকভাবে কেন এত স্থবির? জাপান কেন কষ্ট পাচ্ছে? রাশিয়া কেন? ভারত কেন? কারণ তারা জেনোফোবিক। তারা অভিবাসী চায় না, বলেন তিনি।

জেনোফোবিকের অর্থ হল, এমন দেস যারা নিজেদের দেশে একেবারেই অভিবাসী চায় না, কিংবা তাঁদের বিরুদ্ধে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করে।

  • ভারতের অবস্থান

এব্যাপারে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেছেন, দেশের অর্থনীতি থমকে নেই। তিনি দাবি করেন, ভারত সবসময় অনন্য। পৃথিবীর ইতিহাসে এমন দেশ খুঁজে পাওয়া কঠিন, যেখানে সমাজ উন্মুক্ত। বিভিন্ন দেশের মানুষ ভারতে এসেছেন।

জয়শঙ্কর বলেছেন, ভারত নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন চালু করেছে। যা প্রতিবেশী দেশে সমস্যায় থাকা লোকেদের জন্য দরজা খুলে দিয়েছে। তিনি আরও বলেছেন, ভারত এমন লোকেদের জন্য উন্মুক্ত হওয়া উচিত, যাঁদের ভারতে আসার প্রয়োজন রয়েছে।

সিএএ নিয়ে সমালোচনা উড়িয়ে জয়শঙ্কর বলেছেন, এমন কিছু লোক রয়েছেন, তাঁরা বলছেন, এর ফলে মুসলিমদের অনেকেই নাগরিকত্ব হারাবেন। তিনি বলেন, এখনও পর্যন্ত কেউ নাগরিকত্ব হারায়নি।

  • আমেরিকার অবস্থান ব্যাখ্যা

সাধারণভাবে আমেরিকার বন্ধু হিসেবে পরিচিত ভারত কিংবা জাপান। কিন্তু এই দুই দেশকে জেনোফোবিক বলে অভিহিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এব্যাপারে হোয়াইট হাউসের তরফে প্রেস সেক্রেটারি ব্যাখ্যা দিয়ে বলেছেন, বাইডেন ভারত ও জাপানের মতো দেসগুলির সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করার দিকে রয়েছে। যা গত তিন বছরে তার কাজ থেকেই পরিষ্কার।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+