Jagdeep Dhankhar: 'ক্ষমা চাইতে হবে ধনখড়ের কাছে নইলে...', কল্যাণের বিরুদ্ধে সরব জাট সম্প্রদায়
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে চাপ বাড়ল তৃণমূলের। জগদীপ ধনখড়কে নিয়ে সংসদ ভবনে অঙ্গভঙ্গির ঘটনায় এবার ময়দানে নামল জাট সম্প্রদায়। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধনখড়ের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। এই দাবিতে সরব হয়েছেন তাঁরা। নইলে রীতিমতো প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা।
পালম ৩৬০ খাপ প্রধান চৌধুরী সুরেন্দ্রর সোলাঙ্কি রীতিমতো হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তৃণমূল সাংসদ নিজে ক্ষমা না চাইলে তাঁরা দেখে নেবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। কোনও ভাবে কৃষক পরিবারের ছেলের অপমান তাঁরা মেনে নেবেন বনা বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

গতকাল সংসদ ভবনে তুমুল উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। নজিরবিহীন ভাবে ১৪২ জন সাংসদকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এই ধরনের ঘটনা এর আগে কখনও ঘটেনি। তারই প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছিলেন সাংসদরা। সেসময় তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জগদীপ ধনখড়কে নকল করতে শুরু করেন তিনি। সেই অঙ্গভঙ্গি আবার ভিডিও করেন রাহুল গান্ধী। তাই নিয়ে তোলপাড় হয় রাজনৈতিক মহল।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিজে এই নিয়ে ফোন করেছিলেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়কে। তিনি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই আচরণের তীব্র সমালোচনা করেছেন তিনি। এবং এই ঘটনা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। বিজোপি সাংসদরাও এই নিয়ে সমালোচনা করেছেন।
এদিকে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় কিন্তু তা নিয়ে বিন্দু মাত্র অনুতপ্ত নন। উল্টে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন যেভাবে মিমিক করা একটা শিল্প। জগদীপ ধনখড়কে অসম্মান করার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। তাঁকে অশ্রদ্ধা করার কোনও বিষয় নেই। তিনি যা করেছেন সেটা একটা মিমিক মাত্র। প্রধানমন্ত্রী মোদীও সংসদের ভেতর এমন মিমিক করেছেন সেটা যদি দোষের না হয় তাহলে তাঁর মিমিককেও দোষের বলা যাবে না।
যদিও তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিষয়টি এড়িয়ে গিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর সংবাদিক বৈঠকে তাঁকে এই নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মমতা বলেন, ধনখড়ের প্রতি অশ্রদ্ধার প্রশ্নই ওঠে না। রাহুল গান্ধী ভিডিও না করলে কেউ জানতেই পারতেন না কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় কি করছেন। এর বেশি আর কোনও মন্তব্য করতে চাননি তিনি। তবে মোদীর সঙ্গে বৈঠকে কল্যাণকে বাদ দিয়েছিলেন তৃণমূল সুপরিমো।












Click it and Unblock the Notifications