নৌবাহিনীর হাতে INS Vikrant! কেন এত শক্তিশালী এই Aircraft Carrier

একটা ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে চলেছে দেশবাসী। একেবারে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এয়ারক্রাফট কেরিয়ার INS Vikrant ভারতীয় নৌসেনার হাতে তুলে দিলেন নরেন্দ্র মোদী। এটি ভারতের সামুদ্রিক ইতিহাসে নির্মিত সবচেয়ে বড় জাহাজ।

PM Modi to Commission INS Vikrant: একটা ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে চলেছে দেশবাসী। একেবারে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এয়ারক্রাফট কেরিয়ার INS Vikrant ভারতীয় নৌসেনার হাতে তুলে দিলেন নরেন্দ্র মোদী। এটি ভারতের সামুদ্রিক ইতিহাসে নির্মিত সবচেয়ে বড় জাহাজ।

শুধু তাই নয়, INS Vikrant আত্মনির্ভর ভারতের একটা বড় উদাহারণও বটে। আইএনএস বিক্রান্ত ভারতের বিভিন্ন শিল্প সংস্থান এবং 100টিরও বেশি এমএসএমই দ্বারা সরবরাহ করা দেশীয় সরঞ্জাম এবং যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে নির্মিত হয়েছে। একেবারে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে নয়া এই বিমানবাহী রণতরী তৈরি করা হয়েছে।

টুইট করে যা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

টুইট করে যা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

ইতিমধ্যে নৌবাহিনীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে টুইট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। যেখানে তিনি লিখছেন, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে স্বনির্ভর হওয়ার জন্য ভারতের প্রচেষ্টার একটি ঐতিহাসিক দিন। একেবারে দেশীয় প্রযুক্তিতে ডিজাইন করা বিমানবাহী রণতরী INS Vikrant তুলে দেওয়া হল। নয়া এই বিমানবাহী জাহাজ সমুদ্রে ভারতের শক্তি একধাক্কায় অনেকটাই বাড়িয়ে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারতের শক্তিকে আরও এক ধাপ বাড়িয়ে তুলবে বলেই মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।

INS Vikrant-এর শক্তি এক নজরে-

INS Vikrant-এর শক্তি এক নজরে-

আইএনএস বিক্রান্ত এয়ারক্রাফ্ট ক্যারিয়ার হল সমুদ্রের উপরে ভাসমান একটি বিমান বাহিনী স্টেশন। যেখান থেকে খুব সহজেই ফাইটার জেট, মিসাইল, ড্রোনের মাধ্যমে শত্রুদের মুহূর্তে ধ্বংস করা যায়। নয়া এই বিমানবাহী এয়ারক্র্যাফট থেকে 32 বারাক-8 ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা যাবে। 44,570 টন ওজনের এই রণতরীতে ৩০ টি যুদ্ধবিমান রাখা যাবে। ভিজ্যুয়াল রেঞ্জের বাইরে এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল এবং গাইডেড বোমা এবং রকেট সহ জাহাজ-বিরোধী মিসাইল দিয়ে সজ্জিত এও জাহাজ। এছাড়াও আরও অত্যাধুনিক ব্যবস্থা থাকছে এই মিসাইল সিস্টেমে।

৩০ টি যুদ্ধবিমান রাখা থাকবে-

৩০ টি যুদ্ধবিমান রাখা থাকবে-

INS Vikrant-এ ৩০ টি যুদ্ধ বিমান রাখা থাকবে। যার মধ্যে ৩০ টি যুদ্ধ বিমান এবং ১০ হেলিকপ্টার মোতায়েন হবে। MiG-29K ('ব্ল্যাক প্যান্থার') ফাইটার জেটগুলি বিক্রান্তে মোতায়েন করা হবে এবং তারপরে সেখানে TEDBF অর্থাৎ দুটি ইঞ্জিন ডেক ভিত্তিক ফাইটার জেট DRDO এবং HAL দ্বারা তৈরি করা হবে৷ তবে এই বিষয়টি কার্যকর করতে বেশ কিছুটা সময় লেগে যেতে পারে এজন্য আমেরিকার F-18A সুপার হর্নেট বা ফ্রান্সের রাফালে (M) মোতায়েন করা যেতে পারে। তবে এই বছরের নভেম্বর মাসে মিগ ২৯ এর মতো অত্যাধুনিক ফাইটার জেট রাখা থাকবে।

এটা নির্মাণ করতে কত খরচ হয়েছে

এটা নির্মাণ করতে কত খরচ হয়েছে

এটি 20,000 কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে। এটি ভারতীয় নৌবাহিনীর নিজস্ব সংস্থা ওয়ারশিপ ডিজাইন ব্যুরো দ্বারা ডিজাইন করা হয়েছে ২৬২ মিটার উঁচু, ৬২ মিটার চওড়া আইএনএস বিক্রান্ত দেশে তৈরি সবচেয়ে বড় যুদ্ধজাহাজ। এই রণতরীতে প্রায় ১৬০০ ক্রু সদস্যের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। প্রায় ২৩০০ টি থাকার ব্যবস্থা রয়েছে বলে খবর। মহিলা আধিকারিকদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা রয়েছে বলে খবর। শুধু তাই নয়, এটি একটি ছোট শহরকে বিদ্যুৎ দেওয়ার জন্য যথেষ্ট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম। সেনা সূত্রে খবর, এই এয়ারক্র্যাফটের রান্নাঘরে একদিনে ৪৮০০ জনের রান্না করা যাবে। এমনকি সহজেই ১০ হাজার রুটি সেকে দিতে পারে এই জাহাজের অত্যাধুনিক রান্নাঘর।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+