চার যুবককে প্রকাশ্যে বেঁধে বেধড়ক মার! ভাইরাল ভিডিওতে ওরা কারা জানেন?
চার যুবককে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে ব্যাপক মারধর করা হচ্ছে। একজন তাঁদেরকে মারছেন অন্যজন আবার তাঁর পকেট থেকে ওয়ালেট বের করে নিচ্ছেন। আর এই ভিডিও প্রকাশ্যে সার সঙ্গে সঙ্গে ইন্টারনেতে ভাইরাল হয়ে যায়। আহমেদাবাদের সেই ভিডিও'র
চার যুবককে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে ব্যাপক মারধর করা হচ্ছে। একজন তাঁদেরকে মারছেন অন্যজন আবার তাঁর পকেট থেকে ওয়ালেট বের করে নিচ্ছেন। আর এই ভিডিও প্রকাশ্যে সার সঙ্গে সঙ্গে ইন্টারনেতে ভাইরাল হয়ে যায়। আহমেদাবাদের সেই ভিডিও'র আসল সত্যিটা সামনে এল।

যারা মারধর করছিলেন তাঁরা সবাই সাদা পোশাকে ছিলেন। জানা গিয়েছে, তাঁরা আসলে পুলিশের কর্মী। গুজরাটের খেদা জেলার লোকাল ট্রাইম ব্রাঞ্চের সদস্যরা এই কাজ করেছেন বলে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। যিনি মারধর করছিলেন তিনি হলেন পুলিশ ইনস্পেকটর এভি পারমার।
আরেকজন ব্যক্তি ওই চারজনের পকেট থেকে মোবাইল -ওয়ালেট বের করে নিচ্ছিলেন তিনি সাব ইনস্পেকটর ডিবি পুমাভাট। দুজনেই লোকাল ট্রাইম ব্রাঞ্চের সদস্য। তাঁদের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা হলে কোনও উত্তর পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশ আধিকারিকদের এই কাজে চরম অস্বস্তিতে সে রাজ্যের পলিশমহল।
ডিজিপি আশিস ভাটিয়া জানিয়েছেন, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক ঘটনা। ইতিমধ্যে উচ্চপর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান ওই পুলিশ কর্তা। এমনকি ভিডিওতে যাদের দেখা গিয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। এমনকি ডেপুটি স্পিকারকে এই বিষয়টি তদন্ত করে রিপোর্ট দেওয়া কথা জানিয়েছেন ডিজিপি আশিস ভাটিয়া।
অন্যদিকে উচ্চপদস্থ এক পুলিশ আধিকারিক বলেন, এরা যে পুলিশের কর্মী তা অস্বীকার করব না। নিজেদের হাতে এভাবে আইন তুলে নেওয়া উচিৎ হয়নি বলেও জানিয়েছেন অউলিশ আধিকারিকরা। শুধু তাই নয়, এই বিষয়ে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া। এই মুহূর্তে প্রাথমিক রিপোর্টের অপেক্ষা করছেন বলেও জানিয়েছেন ওই পুলিশ আধিকারিক। তবে এই ঘটনায় চরম চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
জানা যায়, গত মঙ্গলবার এই ঘটনাটি ঘটেছে। গুজরাটের ক্ষেদা জেলার ভুম্ভেলা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। সোমবার রাতে কোনও একটি গাড়বা নাচের অনুষ্ঠানে পাথর ছোড়াছুঁড়ি হয়। আর এরপরেই এই ঘটনা সামনে আসে। গত মঙ্গলবারের এই ভিডিওতে দেখা যায়, একটি বিদ্যুৎের খুঁটিতে বেঁধে এক এক করে চারজনকে বেধড়ক মারা হচ্ছে।
যারা মারছেন তাঁদের হাতে রয়েছে লাঠি। এমনকি একজনের কোমরে বন্দুক গোঁজা রিয়েছে বলেও দেখা যায়। সূত্রে খবর, ওই চারজনের বিরুদ্ধে ওই গাড়বা অনুষ্ঠানে বাধা দেওয়ার অভিযোগ সামনে এসেছিল। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছে এলাকায়। এমনকি পুলিশের বিরুদ্ধেও কার্যত ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকার মানুষ।












Click it and Unblock the Notifications