• search

আলওয়ারের গণপ্রহারের ঘটনায় গুরুতর অভিযোগ পুলিশের নামে, রক্ষকই কি ভক্ষক

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    ফের রাজস্থানের আলওয়ারে এক ব্যক্তিকে গরু পাচারের সন্দেহে পিটিয়ে মারা হয়েছে। আরেকজন পালিয়ে বেঁচেছেন। এই ঘটনায় এখনও অবধি ৩ জন 'গোরক্ষককে' গ্রেফতার করা হয়েছে। কিন্তু তাদের দাবি ওই ব্যক্তি মারা গিয়েছেন পুলিশের হেফাজতে, গণহিংসার বলি তিনি নন। ঘটনায় আরও নানা কারণেই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

    আলওয়ারের গণপ্রহারের ঘটনায় রক্ষকই কী ভক্ষক

    পুলিশের নিজস্ব বয়ানেই বলা হয়েছে ঘটনার খবর পুলিশের কাছে আসে বেলা ১২ টা ৪০ নাগাদ। আধঘন্টার মধ্যে লালাওয়ান্ডির জঙ্গলে গিয়ে পৌঁছায় তারা। সেখান থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় রাকবর খানকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। কিন্তু হাসপাতালে পৌঁছায় তারা ৪টের সময়। সামান্য দূরের হাসপাতালে পৌঁছাতে ৩ ঘন্টটা কেন লাগল, তার উত্তর নেই পুলিশের কাছে।

    গোরক্ষকদের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে পরিচিত রামগড়ের বিজেপি বিধায়ক জ্ঞানদেব আহুজা প্রশ্ন তুলেছেন, '১টা থেকে ৪টে পর্যন্ত পুলিশ কি করছিল?' স্থানীয় বিশ্ব হিন্দু পরিষদও প্রশ্ন তুলেছে মাত্র ৫-৬ কিলোমিটার পথ পারি দিতে পুলিশের অত সময় লাগল কেন, তা নিয়ে।

    ভিএইচপির নওয়াল কিশওর শর্মার দাবি, যাদেরকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে, তারা বরং রাকবরকে বাঁচানর চেষ্টা করেছিল। তারাই শর্মাকে খবর দিয়েছিল ওই ঘটনার। তারা নাকি রাকবরকে পুলিশের ভ্যানে তুলতেও সাহায্য করেছিল। কিন্তু পুলিশ চা খেয়ে সময় নষ্ট করেছে। এমনকী পুলিশ পরে থানায় এনে তাকে পিটিয়ে মেরেছে, এমন গুরুতর অভিযোগও তুলছেন তিনি।

    পুলিশ এইসব অভিযোগ উড়িয়ে দিলেও আঠখ ব্যক্তিরা যে রাকবরকে সাহায়্য করেছিল তা স্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরাও। কাজেই শর্মার বাকি দাবিও সত্য বলেই অনেকে মনে করছেন। পুলিশ একথাও অস্বীকার করেছে। রামগড় থানার ওসি সুভাষ শর্মা বলেছেন, 'ডাক্তাররা কি বলবেন তা তো আর আমরা ঠিক করে দিতে পারি না, কিন্তু এরকম কিছু ঘটেনি।'

    রাকবরকে হাসপাতালে নিতে সময় লাগা নিয়ে তার বক্তব্য, তারা রাকবরের বন্ধুর খোঁজ করছিলেন। কিন্তু সে তত্ত্ব ধোপে টিকছে না। এই ঘটনায় পুলিশের দিকেই আঙুল উঠছে।

    English summary
    cow protection groups blame police for the murder of the muslim man in Alwar lynching case.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more