১৯০১ থেকে সপ্তম উষ্ণতম বছর ২০১৯, বিহারের সব থেকে বেশি মানুষের মৃত্যু
আবহাওয়া দফতর ইতিমধ্যেই জানিয়েছে ২০১৯ সাল ছিল ১৯০১ থেকে হিসেব করলে গরমের নিরিখে সপ্তম বছর। তবে তা ২০১৬ সালের থেকে কম ছিল বলেই জানাচ্ছে হাওয়া অফিস।
আবহাওয়া দফতর ইতিমধ্যেই জানিয়েছে ২০১৯ সাল ছিল ১৯০১ থেকে হিসেব করলে গরমের নিরিখে সপ্তম বছর। তবে তা ২০১৬ সালের থেকে কম ছিল বলেই জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, এইবছরে ১৫৬২ জনের মৃত্যু হয়েছে আবহাওয়া জনিত কারণে। যার মধ্যে অতি গরম ছাড়াও রয়েছে, বন্যা এবং বজ্রপাতজনিত মৃত্যুও। সাংবাদ মাধ্যম এবং সরকারি রিপোর্ট থেকে এই মৃত্যুর সংখ্যা সংগ্রহ করা হয়েছে।

বিহারের সব থেকে বেশি মানুষের মৃত্যু
২০১৯-এ বিহারের সবব থেকে বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে। প্রায় ৬৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে অতি বৃষ্টি, বন্যা, তাপপ্রবাহ এবং বজ্রপাতজনিত কারণে।

আটটি ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়েছে
আবহাওয়া দফতরের রিপোর্টে বলা হয়েছে, আটটি ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়েছিল ভারতকে ঘিরে থাকা সাগরগুলিতে। যয়ার মধ্যে আরব সাগরে তৈরি হয়েছিল পাঁচটি। সাধারণভাবে আরব সাগরে বছরে একটি ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়।

২০০৫ থেকে ২০১৯-এর মধ্যেই উষ্ণতম বছরগুলি
আবহাওয়া দফতরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০০৫ থেকে ২০১৯-এর মধ্যেই উষ্ণতম বছরগুলি রয়েছে। ২০১৬(.৭১ ডিগ্রি সেলসিয়াস), ২০০৯(০.৫৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস), ২০১৭ (০.৫৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস), ২০১০(০.৫৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস), ২০১৫(০.৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস)।
তবে সারা বছর ধরে ২০১৯-এর তাপমাত্রা মোটের ওপর স্বাভাবিকই ছিল। সারা দেশ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ২০১৯কে ১৯০১ থেকে সপ্তম উষ্ণতম বছর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

বৃষ্টিপাত ছিল ১০৯ শতাংশ
২০১৯-এর বার্ষিক বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল ১০৯ শতাংশ। অতি বৃষ্টি এবং বন্যাজনিত কারণে সারা দেশে ৮৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে বর্ষার আগে, বর্ষার সময় কিংবা বর্ষার পরে। যার মধ্যে ৩০৬ জনের মৃত্যু হয়েছে বিহারে। ১৩৬ জন মহারাষ্ট্রে, ১০৭ জন উত্তর প্রদেশে, ৮৮ জন কেরলে, ৮০ জন রাজস্থানে এবং কর্নাটকে ৪৩ জন।












Click it and Unblock the Notifications