কয়লা পাচার কাণ্ডে তৎপরতা বাড়াচ্ছে সিবিআই, জেরার মুখে রঘুনাথপুরের আইসি
কয়লা পাচার কাণ্ডে তৎপরতা বাড়াচ্ছে সিবিআই, জেরার মুখে রঘুনাথপুরের আইসি
বিধানসভা ভোটের মুখে রাজ্যজুড়ে কয়লা পাচার কাণ্ডে রীতিমতো তৎপরতা বাড়িয়েছে সিবিআই। এমনকী মাসের শুরুতেই রাজ্যের ১২ জায়গায় একযোগে ইডি হানার জেরে তীব্র চাঞ্চল্য শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। এমতাবস্থায় কয়লা পাচার কাণ্ডে পুরুলিয়া জেলার রঘুনাথপুর থানার আইসি সঞ্জয় চক্রবর্তীকে সোমবার প্রায় ৫ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ করল সিবিআই।

৫ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ রঘুনাথপুরের আইসিকে
সিবিআই-র দাবি এই তদন্ত শুরুর পর থেকেই তৃণমূল নেতা বিনয় এবং কয়লা পাচারে অভিযুক্ত অনুপ মাজি ওরফে লালা পলাতক। কিন্তু কার্যত তারা ধরা ছোঁয়ার বাইরে থাকলেও সঞ্জয় বাবুর সঙ্গে তাদের রীতিমতো যোগাযোগ ছিল। এমনকী তাদের একাধিক যোগসাজসের কথাও ইতিমধ্যে কানে এসেছে সিবিআই আধিকারিকদের।

প্রশ্নের মুখে সঞ্জয় চক্রবর্তীর ভূমিকা
এদিকে ২০১৬ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত আসানসোল, বাঁকুড়া সদর এবং রানিগঞ্জ থানায় আইসি পদে ছিলেন সঞ্জয়। সেই সময় কয়লা পাচারে মূল অভিযুক্ত অনুপ মাজির সঙ্গে তাঁর ঠিক কী রকম সম্পর্ক তাও খতিয়ে দেখছেন সিবিআই আধিকারিকেরা। এমনকী অনুপ মাজি ওরফে লালা, বিনয় মিশ্র ও গরু পাচারে ধৃত এনামুল হকের অফিস থেকে উদ্ধার হওয়া বিভিন্ন নথির ভিত্তিতেও একাধিক প্রশ্ন করা হচ্ছে সঞ্জয় বাবুকে।

সিবিআই জেরায় অসহযোগিতার অভিযোগ
এদিকে কয়লা পাচার কাণ্ডে গত কয়ের সপ্তাহ জুড়েই বিনয় মিশ্র ও অনুপ মাঝি ওরফে লালা ঘনিষ্ঠদের বাড়িতে তল্লাশি শুরু করে সিবিআই। দুর্গাপুর, রানিগঞ্জ ও আসানসোলের কমপক্ষে ১০ জায়গায় তল্লাশি শুরু করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এদিকে লালা ছাড়াও এনামুল হকের সঙ্গেও সঞ্জয়ের বিভিন্ন বিষয়ে যোগাযোগ ছিল বলেও দাবি করেছেন সিবিআই-র তদন্তকারী আধিকারিকেরা। তবে সিবিআই জেরায় সঞ্জয় বাবু বিশেষ সহযোগিতা করেননি বলেও জানা যাচ্ছে। দ্রুত ফের তাকে জেরার জন্য ডাকা হতে পারে বলে খবর।

কোন পদ্ধতিতে এগোচ্ছে তদন্ত প্রক্রিয়া?
এর আগেও কয়লা পাচারের তদন্তে নেমে কলকাতার সল্টলেক থেকে রানিগঞ্জ, আসানসোলে তল্লাশি চালিয়েছে সিবিআই। তখন থেকেই বেপাত্তা কয়লা ও গরু পাচারে অন্যতম অভিযুক্ত ব্যবসায়ী অনুপ মাঝি ওরফে লালা। এমনকী গত ৩১ ডিসেম্বর এই কাণ্ডে নাম জড়িয়েছে তৃণমূল যুব কংগ্রেসেরে সাধারণ সম্পাদক তথা ব্যবসায়ী বিনয় মিশ্রর। যদিও প্রত্যেকের সঙ্গেই রঘুনাথপুর থানার আইসি সঞ্জয় চক্রবর্তীর যোগাযোগ ছিল বলে জানা যাচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications