• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

    বিচারকের সামনেই হাউ হাউ করে কান্না বাবা রামের, রোহতক জেলে চরম নাটক

    • By Soumik Bose
    • |

    রঙীন, ঝলমলে নাটকীয় জীবনযাপন শেষটাও হল নাটক দিয়েই। রোহতক জেলেও সাজার শুনানি চলাকালীন চূড়ান্ত নাটক করলেন ধর্ষক বাবা গুরমিত রাম রহিম সিং। বিচারকের সামনেই কেঁদে ভাসালেন তিনি। নিজের কৃতকর্মের জন্য ক্ষমাও চাইলেন। কখনও আবার নিজের সমাজসেবার খতিয়ান তুলে ধরলেন।

    বিচারকের সামনেই হাউ হাউ করে কান্না বাবা রামের, রোহতক জেলে চরম নাটক

    অবশ্য এসব করেও বিচারকের মন গলাতে পারেননি তিনি। সংক্ষিপ্ত শুনানির শেষে বিচারক জগদীপ সিং জানিয়ে দেন, ধর্ষণের মত জঘন্য অপরাধের জন্য জেলের ঘানিই টানতে হবে তাঁকে। আর সেটা ৭ বছর নয়, ২০ বছর জেল খাটতে হবে গুরমিত রাম রহিম সিংকে। বিচারকের ঘোষণার পরেও নাটক ছাড়েননি ধর্ষক বাবা। তাঁর অভিনয়ের মতই এদিনও বিচারকের সামনে ছিল অতি- নাটকীয়তা। সাজা ঘোষণার পরই চেয়ার ছেড়ে ধপ করে মেঝেতে বসে পড়েন তিনি। মেঝেতে বসেই কুম্ভিরাশ্রু বইতে থাকে তাঁর।

    [আরও পড়ুন:ছায়াসঙ্গিনী হানিপ্রীতের সঙ্গে জেলে থাকতে চেয়েছিলেন রাম রহিম, জানুন পরের ঘটনা ]

    রাম রহিমকে এভাবে মেঝেতে বসে পড়তে দেখে তিনি অসুস্থ বলেই মনে হয়েছিল উপস্থিত জেল আধিকারিকদের। কিন্তু শারীরিক পরীক্ষার পরই ফের বাবার পর্দাফাঁস। চিকিৎসকেরা জানিয়ে দিলেন, কোনও সমস্যাই নেই রাম রহিমের। রক্তচাপও একেবারেই স্বাভাবিক। ফলে সাজা ঘোষণার পরের নাটকও কাজে এল না ধর্ষক বাবার।

    সাজা ঘোষণার পর বিচারক ও পাঁচ আইনজীবী বেরিয়ে যাওয়ার পরই কয়েদিদের পোষাক ধরিয়ে দেওয়া হয় রাম রহিমের হাতে। ফলে তাঁর ঝলমলে রঙীন পোষাক ছেড়ে এবার আর পাঁচটা কয়েদিদের পোষাক পরেই আগামী ২০ বছর কাটাতে হবে ধর্ষক ধর্মগুরুকে।

    English summary
    Gurmeet Ram Rahim Singh burst into tears after sentencing to jail
    For Daily Alerts

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more