Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

নিরবতা ভাঙলেন হেমা মালিনী, দুর্ঘটনার দায় চাপালেন মৃত শিশুর বাবার কাঁধেই!

মুম্বই, ৮ জুলাই : মুম্বইয়ে ফেরার কয়েক দিনের মাথায় নিজের নিরবতা ভাঙলেন অভিনেত্রী তথা বিজেপি সাংসদ হেমা মালিনী। রাজস্থানের দৌসায় যে পথদুর্ঘটনায় তিনি গুরুতর জখম হয়েছিলেন এবং এক শিশুর মৃত্য হয়েছিল সেই ঘটনা নিয়ে এতদিনে মুখ খুললেন তিনি। [(ছবি) পথদুর্ঘটনায় গুরুতর জখম হেমা মালিনী, মৃত্যু ৫ বছরের এক শিশুর]

২ জুলাই সন্ধ্যায় ৫ বছরের ছোট্ট সোনম নিজের পরিবারের সঙ্গে অল্টোয় করে যাচ্ছিল। পথে হেমা মালিনীর মার্সিডিজের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে শেষ হয়ে গেল সোনমের জীবন। দুই গাড়িতে থাকা সবাই আহত হয়েছিলেন। হেমা মালিনীর মাথা ফেটে রক্তাক্ত।

দুর্ঘটনা

দুর্ঘটনা

"যেই শিশুটি অযথা নিজের প্রাণ হারাল এবং পরিবার সদস্যরা আহত হলেন তাদের কথা ভেবে আমার হৃদয় ভারি হয়ে আসছে।"

"যদি শিশুটির বাবা ট্রাফিক আইন মেনে গাড়ি চালাতেন তাহলে হয়তো এই দুর্ঘটনা এড়ানো যেত এবং ছোট্ট প্রাণটা বাঁচানো যেত।" আজ টুইট করে বললেন হেমা।

ট্রাফিক আইন

ট্রাফিক আইন

শিশুটির বাবা অবশ্য আগেই দাবি করেছিলেন, যদি আহত অভিনেত্রীর সঙ্গেই তাঁর মেয়েকেও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হতো তাহলে হয়তো তাঁর মেয়েকে প্রানে বাঁচানো যেত।

দায় কার

দায় কার

কেউ বলছে অল্টোটি ভুল রাস্তা দিয়ে আসছিল তাই দুর্ঘটনা, কেউ বলছে হেমা মালিনীর গাড়ির 'স্পিড' বেশি ছিল, নয়তো দুর্ঘটনা এড়ানো যেত।

কিন্তু কে বলবে আসলে দায় কার?
মিডিয়ায়

মিডিয়ায়

মিডিয়াকে 'সেনসেশন হাঙ্গরি' বলে তুলোধনা করেছেন অভিনেত্রী। হেমার কথায় আমি যখন অসহায় ছিলাম, আতঙ্কে ছিলাম তখনও মিডিয়া আমাকে কুৎসা করতে ছাড়েনি। মিডিয়াকে অসংবেদনশীল ও নজ্জাজনক বলেও আক্রমণ করেন হেমা।

দিন পাঁচেক এই নিয়ে কোনও মন্তব্য না করলেও অবশেষে নিজের নিরবতা ভাঙলেন হেমা মালিনী। ৮ জুলাই মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারে নিজের প্রতিক্রিয়া জানালেন অভিনেত্রী। "যেই শিশুটি অযথা নিজের প্রাণ হারাল এবং পরিবার সদস্যরা আহত হলেন তাদের কথা ভেবে আমার হৃদয় ভারি হয়ে আসছে।"

"যদি শিশুটির বাবা ট্রাফিক আইন মেনে গাড়ি চালাতেন তাহলে হয়তো এই দুর্ঘটনা এড়ানো যেত এবং ছোট্ট প্রাণটা বাঁচানো যেত।"

অভিনেত্রী যেখানে ট্রাফিক আইন না মানার জন্য শিশুটির বাবার ঘাড়ে দোষ চাপাচ্ছেন, সেখানে শিশুটির বাবা অবশ্য আগেই দাবি করেছিলেন, যদি আহত অভিনেত্রীর সঙ্গেই তাঁর মেয়েকেও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হতো তাহলে হয়তো তাঁর মেয়েকে প্রানে বাঁচানো যেত।

সোনমের বাবা এও জানিয়েছিলেন, যখন হেমা মালিনীকে ফর্টিস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, তখন তাঁর পরিবার রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় প্রায় ২০-২৫ মিনিট পড়ে ছিল। ছোট্ট সোনম মায়ের কোলেই নিথর হয়ে যায়।

অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ শুরু হয়ে গিয়েছে পথদুর্ঘটনার দায় নিয়ে।

একইসঙ্গে এটা বলে রাখাও প্রয়োজন ওই ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছিলেন হেমা নিজেও। ফর্টিস হাসপাতালে তাঁর অস্ত্রোপচারও হয়েছে। শনিবার ৪ জুলাই তিনি মুম্বই ফিরেছেন।

একইসঙ্গে মিডিয়াকেও একহাত নিয়েছেন হেমা।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+