Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

লোকসভায় তীব্র হট্টগোল, অপ্রকাশিত স্মৃতিকথার উদ্ধৃতি ঘিরে মুখোমুখি রাহুল, রাজনাথ ও শাহ

চলতি সংসদের বাজেট অধিবেশনে সোমবার লোকসভা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে। রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা শুরু করতেই বিতর্কের সূত্রপাত হয়, যখন রাহুল গান্ধী প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ মুকুন্দ নারাভানের একটি অপ্রকাশিত স্মৃতিকথার প্রসঙ্গ তোলেন।

রাহুল গান্ধীর বক্তব্যের মাঝেই তীব্র আপত্তি জানান প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। তাঁর দাবি, যে বই এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়নি, তার তথ্য সংসদের মেঝেতে উদ্ধৃত করা সংসদীয় নিয়মের পরিপন্থী। রাজনাথ সিং প্রশ্ন তোলেন, সংশ্লিষ্ট বইটি আদৌ প্রকাশিত হয়েছে কি না।

এই নিয়ে দু'পক্ষের মধ্যে বাদানুবাদ শুরু হয়। রাহুল গান্ধী পাল্টা বলেন, উদ্ধৃত নথিটি যাচাই করা ও প্রামাণ্য ও তিনি তা উল্লেখ করতেই পারেন। তিনি আরও জানান, বিজেপি সাংসদ তেজস্বী সূর্য কংগ্রেসের দেশপ্রেম নিয়ে প্রশ্ন তোলার পরই তিনি বিষয়টি তুলতে বাধ্য হন। তবে রাজনাথ সিং নিজের অবস্থানে অনড় থেকে বলেন, বইটি প্রকাশিত না হওয়ায় তার উল্লেখ গ্রহণযোগ্য নয়।

এ সময় স্পিকার ওম বিড়লা সংসদীয় নিয়মের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি জানান, সংসদের আলোচনার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক নেই এমন কোনও বই বা সংবাদপত্রের অংশ উদ্ধৃত করা যায় না। পরবর্তীতে রাহুল গান্ধী বলেন, তিনি একটি ম্যাগাজিনে প্রকাশিত নিবন্ধের সূত্র ধরেই নিজের বক্তব্য রাখছেন। কিন্তু তাতেও আপত্তি জানান প্রতিরক্ষা মন্ত্রী, যিনি রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে সংসদকে "বিভ্রান্ত করার" অভিযোগ তোলেন।

এই বিতর্কে বিরোধী শিবির থেকে রাহুল গান্ধীর পাশে দাঁড়ান সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব। তিনি স্পিকারের কাছে আবেদন জানান, বিরোধী দলনেতাকে তাঁর বক্তব্য শেষ করার সুযোগ দেওয়া হোক। অন্যদিকে কেন্দ্রের অবস্থানকে জোরালো করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, কেবলমাত্র সরকারিভাবে প্রকাশিত ও নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকেই সংসদে বক্তব্য রাখা উচিত। শাহ মন্তব্য করেন, "ম্যাগাজিনে যা খুশি ছাপা হতে পারে," ও সংসদের মর্যাদা রক্ষার উপর জোর দেন।

ক্রমশ পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিরোধী সাংসদরা বাধা দেওয়ার প্রতিবাদে সরব হন, আর শাসক দলের সদস্যরা সংসদীয় নিয়ম কঠোরভাবে মানার দাবিতে সোচ্চার হন। উত্তেজনার জেরে শেষ পর্যন্ত স্পিকার ওম বিড়লা লোকসভা বিকেল ৩টা পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা করেন।

উল্লেখযোগ্যভাবে, সোমবার সকাল ১১টায় সংসদের দুই কক্ষেই রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি এই বিষয়ে জবাব দেওয়ার কথা রয়েছে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের। চলতি বাজেট অধিবেশন মোট ৬৫ দিনে ৩০টি বৈঠকে অনুষ্ঠিত হবে এবং শেষ হবে ২ এপ্রিল। ১৩ ফেব্রুয়ারি সংসদ মুলতবি হয়ে ৯ মার্চ ফের অধিবেশন শুরু হবে, যাতে বিভিন্ন মন্ত্রকের অনুদান দাবির উপর স্থায়ী কমিটিগুলি পর্যালোচনা করতে পারে। এর আগের দিন, রবিবার লোকসভায় ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করেন নির্মলা সীতারমন যা তাঁর টানা নবম বাজেট।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+