গুলির লড়াই ও খুনের ঘটনায় বেকসুর খালাস আন্তর্জাতিক গ্যাংস্টার রবি পূজারি, মেলেনি কোনও প্রমাণ
গুলির লড়াই ও খুনের ঘটনায় বেকসুর খালাস আন্তর্জাতিক গ্যাংস্টার রবি পূজারি, মেলেনি কোনও প্রমাণ
বেঙ্গালুরুর একটি বিশেষ আদালত আন্তর্জাতিক দুষ্কৃতী রবি পূজারিকে ২০০১ সালে একটি বন্দুক হামলা ও একজন বিল্ডারকে হত্যার অভিযোগ থেকে মুক্তি দিয়েছে। আদালতের তরফে জানানো হয়েছে, পূজারির বিরুদ্ধে আনা অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, হত্যার ষড়যন্ত্র ও হত্যার চেষ্টার অভিযোগগুলো অস্ত্র আইনে প্রমাণ করা সম্ভব হয়নি। সেই কারণেই রবি পূজারিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

কী বলেছে বিশেষ আদালত
১৮ অগস্ট বিশেষ আদালতের দেওয়া রায়ে বলা হয়, আদালত রবি পূজারির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনও প্রমাণ পায়নি। শুধু সন্দেহের বশে রবি পূজারিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ২০০১ সালের ৫ জানুয়ারি রবি পূজারি যে অন্যান্যদের সঙ্গে বিল্ডারকে হত্যা করেছিলেন, তা তদন্তকারী আধিকারিকদের শুধুমাত্র সন্দেহ। সন্দেহের বশে আদালত কারাও বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণা করতে পারে না। জেলে আটকে রাখতেও পারে না। সেই কারণে রবি পূজারিকে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে।

রবি পূজারির বিরুদ্ধে অভিযোগ
অভিযোগে জানানো হয়েছিল, আন্তর্জাতিক গ্যাংস্টার রবি পূজারি আরও সাত জনের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করেছিল। এছাড়াও অন্য এক অভিযুক্তকে একটি ০.৯ মিমি পিস্তল, একটি ০.৩৮ রিভলবার ও একটি বুলেটপ্রুভ জ্যাকেট হাওয়াওলার মাধ্যমে সরবরাহ করেছিল। যা বেঙ্গালুরু অন্যতম বিখ্যাত বিল্ডার সুব্বারাজুকে হত্যা করতে ব্যবহার করা হয়েছিল। পুলিশ অভিযোগ করেছে, ওন্ডারওয়ার্ল্ড দুষ্কৃতি মুথাপ্পা রাই, পূজারি ও আরও পাঁচজন সুব্বারাজুকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিল। ইউসুফ বাচকানা ও নিতিন সাওয়ান্ত নামের দুই শুটার সুব্বারাজুকে গুলি করে হত্যা করে। পুলিশের তদন্তে আন্তর্জাতিক গ্যাংস্টার রবি পূজারির নাম বার বার উঠে আসে। তারপরেই পুলিশ রবি পূজারির সন্ধান করে। রবি পূজারি বিদেশে ছিল। ২০২০ সালে রবি পূজারিকে ভারতে ফিরিয়ে আনা হয়। আইনের আওতায় নিয়ে আসা হয়। পুলিশ তাদের মামলায় ১৪ জন সাক্ষী ও ৭৮টি নথি পেশ করেছিল। তারপরেও রবি পূজারি মুক্তি পেয়ে যায়।

সুব্বারাজুকে হত্যার কারণ
সুব্বারাজুকে শেশাদ্রিপুরমে তাঁর নিজের অফিসে গুলি করে হত্যা করা হয়। সেই সময় তাঁর দুই ছেলে উপস্থিত ছিলেন। তাঁরাই এই হত্যা মামলার প্রধান সাক্ষী। জানা গিয়েছে, সেই সময় দুবাই থেকে তৎকালীন আন্ডারওয়ার্ল্ড দুষ্কৃতি মুথাপ্পা রাইয়ের হুমকির পরেও সুব্বারাজু বেঙ্গালুরুতে একটি সম্পত্তি কেনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ঘটনায় দুই শুটার ইউসুফ বাচকানাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দেয় আদালত। কিন্তু রাই ও অন্যান্য চার অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস করে।












Click it and Unblock the Notifications