গঙ্গাসাগরের ডায়েরি,মকর সংক্রান্তির পূণ্যলগ্নে কী দেখলেন নীল মিত্র
মাঝ রাতে কে-টু বাস স্ট্যান্ডে বসে লিখছি ।ঘড়িতে রাত দুটো।হাই মাস্ট হ্যালোজেন আলোয় চারপাশ দিনের মত আলোকিত হয়ে আছে।
মাঝ রাতে কে-টু বাস স্ট্যান্ডে বসে লিখছি ।ঘড়িতে রাত দুটো।হাই মাস্ট হ্যালোজেন আলোয় চারপাশ দিনের মত আলোকিত হয়ে আছে। পৌষের এই শেষ রাত্রে হালকা কুয়াশা আচ্ছন্ন করতে চাইলেও যেন সামান্য আবছায়াটুকু সৃষ্টি করেই থেমে গেছে। কনকনে ঠান্ডা না থাকলেও কনকনে ঠান্ডা ও মাঝে মাঝে বয়ে যাওয়া হিমেল বাতাস পুণ্য প্রত্যাশী জনতা জনার্দনকে প্রতিহত করতে পারেনি। তাই সব কষ্ট ও প্রতীক্ষাকে হেলায় হারিয়ে শুধুমাত্র ভারতবর্ষ নয় , নেপাল বাংলাদেশ সমেত ভারতীয় উপমহাদেশের পুণ্যার্থীরা মাঝমাঠের এই উৎসবকালীন বাসস্ট্যান্ডকে জাগিয়ে রেখেছে। পৌরাণিক সগররাজার অভিশপ্ত সন্তানদের মত জেগে উঠেছে। নানা ভাষার উচ্ছ্বাস,আবেগ তীর্থযাত্রীদের প্রাণপ্রাচুর্য ভরিয়ে তুলছে মেলার মাঠ,মন্দির প্রান্তর,নাগা সন্যাসীদের অস্থায়ী শিবির,সাগরতট। জেগে আছে জেলা প্রশাসন ও রাজ্য প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিসহ বহু সাধারণ কর্মী ।

প্রচলিত প্রবাদ বলে, "সব তীর্থ বার বার / গঙ্গাসাগর একবার । " ভৌগলিক দিক দিয়ে অনেকটাই দুর্গম ছিল এবং ঠিক এই সুকঠিন যাত্রাপথের কারনে এই তীর্থ পুণ্যপ্রত্যাশী নরনারীর কাছে জীবদ্দশায় একবারের বেশি সম্ভব ছিল না। কিন্তু দিন বদলেছে । রাত গভীর হলেও বাস মিনিবাস, ট্যাক্সি ,লঞ্চ,ভেসেল চলছে সুনিয়ন্ত্রনে । তাই এখন সাগর যাত্রা বারবার করাও অসম্ভব নয়। পার্থিব জীবনের অর্জন যাই হোক না কেন ভারতীয় উপমহাদেশ বরাবর পরমার্থের দিকে ঝুঁকেছে । দেহাতি নিন্ম-নিন্মবিত্ত, মধ্য-নিন্মবিত্ত গৃহী মানুষের....












Click it and Unblock the Notifications