জি২০ সম্মেলন: নতুন যুগের সূচনা হল জম্মু-কাশ্মীরে, শান্তিস্থাপনের সম্ভাবনা উজ্জ্বল
জি২০ সম্মেলনের সূচনা হল জম্মু-কাশ্মীরের রাজধানী শ্রীনগরে। মঙ্গলবার তা উদ্বোধনের পর জম্মু-কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর বলেন, নতুন যুগের সূচনা হল উপত্যকায়। একদা ত্রস্ত জম্মু-কাশ্মীরে শান্তিস্থাপনের সম্ভাবনা উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বলতর হয়ে উঠল।
চিন ছাড়া প্রায় সমস্ত জি২০ দেশের প্রতিনিধিরা জম্মু ও কাশ্মীরের এই সম্মেলনে হাজির হয়েছেন। এই জি২০ সম্মেলনের জন্য কর্তৃপক্ষ ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা করেছে। সমস্ত অব্যাগত ও প্রতিনিধিদের শ্রীনগর বিমানবন্দরে স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় ভারতীয় ঐতিহ্য মেনে স্বাগত জানানো হয়েছে।

এবার 'অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ও সাংস্কৃতিক সংরক্ষণের জন্য ফিল্ম ট্যুরিজম' শীর্ষক ইভেন্টের মাধ্যমে তিন দিনের জি২০ বৈঠকের সূচনা হয়। সারা বিশ্বের মধ্যে ভারতকে বেছে নেওয়া হয়েছে পর্যটনের প্রচারের জন্য। জি২০ সদস্য দেশগুলির সঙ্গে ভারত কাজ করতে আগ্রহী বলে জানান কেন্দ্রীয়মন্ত্রী কিষান রেড্ডি
এদিন জি২০ সম্মলেনের মঞ্চে লেফটেন্যান্ট গভর্নমেন্ট মনোজ সিনহা বলেন, শীঘ্রই বিশ্বের শীর্ষ ৫০টি গন্তব্যের মধ্যে স্থান করে নেবে জম্মু-কাশ্মীর। জি২০ সভাপতিত্ব আমাদের জন্য গর্বের বিষয়। এখানে জাতিসংঘের প্রতিনিধিদের উপস্থিতি ইঙ্গিত দেয়, বিশ্ব চায় ভারত এই ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন করুক।
এদিন চিনকে উদ্দেশ্য করে এলজি মনোজ সিনহা বলেন, ভারতের কাশ্মীরে জি২০ বৈঠকের আসর বসেছে। তা নিয়ে ভারতের জি২০ প্রেসিডেন্সির অপমান করছে কেউ কেউ। তিনি মনে করিয়ে দেন, জম্মু ও কাশ্মীরে প্রেস নিরঙ্কুশ স্বাধীনতা ভোগ করে। এখান থেকে ৪০০টিরও বেশি সংবাদপত্র প্রকাশিত হয়।

তিনি বলেন, তিন দশক পর আবার জম্মু-কাশ্মীরে নতুন চলচ্চিত্র নীতি, আধুনিক পরিকাঠামো এবং ব্যবসা করার সহজলোভ্য পরিবেশ তৈরি হয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীরকে চলচ্চিত্রের শুটিংয়ের জন্য একটি প্রিয় গন্তব্যে পরিণত করেছে তা। আমরা গত বছর ১৮ মিলিয়নেরও বেশি পর্যটকদের জায়গা দিয়েছি।
তিনি বলেন, ২০১৯ সালের পর জম্মু ও কাশ্মীরে প্রকল্পগুলি বাস্তবায়নের গতি ১০ গুণ বেড়েছে। আমি আমাদের অতিথিদের বলতে চাই, যখন তাঁরা পরেরবার কাশ্মীরে আসবে, আমরা তাদের একইরকম আতিথ্য করতে চাই এবং গুলমার্গে নিয়ে যেতে চাই। এখানে উল্লেখ্য, সময়ের কারণে এবং নিরাপত্তার স্বার্থে গুলমার্গে বিদেশি প্রতিনিধিদের সফর বাতিল করা হয়েছে এবার।
তাঁর কথায়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে আমরা রাজ্যে মেগা পরিকাঠামো তৈরি করেছি। গত আর্থিক বছরে পর্যটন খাতে জম্মু-কাশ্মীরে জিডিপিতে ৭ শতা্ংশ অবদান রেখেছে। পর্যটন খাতে অভূতপূর্ব প্রবৃদ্ধি হয়েছে। জি২০ বৈঠকে সর্বোচ্চ সমাবেশ হয়েছে। ৫৯ জন প্রতিনিধি অংশ নিয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications