গালওয়ান সীমান্তে 'ডিসএঙ্গেজমেন্ট' আদতে আত্মসমর্পণ, লাদাখ ইস্যুতে ফের কেন্দ্রকে তোপ কংগ্রেসের

প্রাক্তন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা একে অ্যান্টনি অভিযোগ করলেন যে লাদাখে সেনা প্রত্যাহার আদতে ভারতের জন্যে পরাজয়। এদিন তিনি এবিষয়ে বলেন, 'বিষয়টি আমাদের সবাইকে বুঝতে হবে যে, সেনা প্রত্যাহারের মাধ্যমে শান্তি ফেরানো খুবই ভালো খবর, কিন্তু তা কখনও দেশের সুরক্ষার বিনিময়ে হতে পারে না। ভারত চিনের 'দাবি' মেনে নিয়ে সেনা প্রত্যাহার করেছে। যা সঠিক হয়নি।' তাঁর দাবি, সীমান্তে 'বাফার জোন' তৈরির জেরে ভারতীয় সেনার সুরক্ষা প্রশ্নচিহ্নের মুখে পড়বে।

ধাপে ধাপে পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে সেনা প্রত্যাহার

ধাপে ধাপে পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে সেনা প্রত্যাহার

সংসদকে কেন্দ্র ইতিমধ্যেই জানিয়েছে যে, চিন ও ভারত দুই দেশই নিজেদের সেনা সরাচ্ছে ধাপে ধাপে পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে। কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংহ দাবি করেছেন যে, দুই দেশের এই সমঝোতার ফলে সীমান্তে মোটামুটি ভাবে মে মাসের আগের অবস্থা ফিরে আসবে। তিনি আরও দাবি করেন যে, এর ফলে ভারতের এক ইঞ্চি জমিও চিনা হানাদারদের হাতে থাকবে না।

সেনা টহল বন্ধ রেখে সামরিক সুবিধা থেকে ভারতই বঞ্চিত হবে

সেনা টহল বন্ধ রেখে সামরিক সুবিধা থেকে ভারতই বঞ্চিত হবে

প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আরও বলেন যে, প্যাংগং হ্রদের উত্তর ও দক্ষিণ দুই প্রান্ত নিয়ে যত ক্ষণ না পর্যন্ত দুই দেশ নির্দিষ্ট সমঝোতায় পৌঁছবে, ততক্ষণ পর্যন্ত দুই দেশই সেনা টহল বন্ধ রাখবে। যদিও চিন-ভারত সম্পর্ক নিয়ে বহুদিন কাজ করা বিশেষজ্ঞরা অনেকেই মনে করছেন, যে এলাকাকে ভারত এতদিন পর্যন্ত নিজেদের এলাকা বলে দাবি করে এসেছে, সেই অঞ্চলে সেনা টহল বন্ধ রেখে সামরিক সুবিধা থেকে ভারতই বঞ্চিত হবে।

চিনের কোনও কথাকে পুরোপুরি বিশ্বাস করা যায় না

চিনের কোনও কথাকে পুরোপুরি বিশ্বাস করা যায় না

চিন এমন একটি দেশ যারা ১৮টি প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সীমান্ত সংঘর্ষে জড়িয়ে রয়েছে। চিনের সাম্রাজ্য বিস্তারের নীতি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল বিশেষজ্ঞরা৷ সে দেশের কোনও কথাকে পুরোপুরি বিশ্বাস না করার জন্য ভারতকে সাবধান করছেন। এই ধরনের সাবধানবাণীকে কখনওই হালকা ভাবে নেওয়া উচিত নয়। এদিকে ভারত প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনের আগ্রাসী মনোভাবকে প্রতিহত করতে ভারত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জাপান এবং অস্ট্রেলিয়া একসঙ্গে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

মেজাজ চড়েছে চিনের

মেজাজ চড়েছে চিনের

এর ফলে স্বাভাবিকভাবেই মেজাজ চড়েছে চিনের। চিনকে নিজেদের অধিকার সম্পর্কে ভালো করে বুঝিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি ভারতের উচিত সঠিক বৈদেশিক পরিকল্পনার আশ্রয় নিয়ে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। সামান্য হালকা মনোভাব কী করতে পারে, সে সম্পর্কে ভারত যথেষ্ট ওয়াকিবহাল

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+