• search

দেশ ভাগ নিয়ে জিন্নার পাশে ফারুক আবদুল্লা! দায়ী করলেন কাকে, জেনে নিন

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    ফের বিতর্কে জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লা। ১৯৪৭-এর দেশ বিভাজনের জন্য জিন্না নন, দায়ী প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু এবং সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল। , মুসলিমদের জন্য পৃথক রাষ্ট্রের দাবি, জিন্না প্রথমে করেননি বলেই দাবি করেছেন ফারুক আবদুল্লা।

    দেশ ভাগের জন্য দায়ী নেহরু-প্যাটেল-আজাদ! ফের বিতর্কে ফারুক আবদুল্লা

    শ্রীনগরের এক অনুষ্ঠানে ফারুক আবদুল্লা বলেন, মুসলিম-শিখদের মতো সংখ্যালঘুদের জন্য বিশেষ সুবিধার দাবি করা হয়েছিল। আইনসভায় মুসলিমদের বিশেষ প্রতিনিধিত্বের কথা বলা হয়েছিল। জিন্না প্রথমে তা গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু নেহরু, মৌলনা আজাদ, সর্দার প্যাটেল তা গ্রহণ করেননি। পরে জিন্না পাকিস্তানের দাবি করেন। জিন্নার দাবি মেনে নিলে দেশ বিভাজন হতো না, কোনও বাংলাদেশ কিংবা পাকিস্তান তৈরি হতো না, একটা দেশই থাকত, তা হল ভারত। এমনটাই মন্তব্য করেছেন ফারুক আবদুল্লা।

    ন্যাশনাল কনফারেন্সের প্রধান এর আগে পাকিস্তানের সমর্থনে বক্তব্য পেশের জেরে একাধিকবার বিতর্কে জড়িয়েছেন। সীমান্তে পাকিস্তানের হামলা সত্ত্বেও তিনি এর আগে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে আলোচনার দাবি করেছিলেন। পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর পাকিস্তানেরই অংশ বলেও বিতর্কে জড়িয়েছিলেন তিনি। এমন কী কাশ্মীর সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রের দূত দীনেশ্বর শর্মার উচিত পাকিস্তানের সঙ্গেও কথা বলা, এমনও কথা বলেছিলেন ফারুক আবদুল্লা।

    যদি দুই দেশ শান্তির কথা চিন্তা না করে, তাহলে সীমান্তে দুদেশের কোনও তরফেই গোলাগুলি বন্ধ হবে না। এমনও মন্তব্য করেছিলেন ফারুক। উপমহাদেশে শান্তি আনতে গেলে দুই কাশ্মীরে স্বায়ত্বশাসনের দাবিও তিনি করেছিলেন।

    English summary
    Farooq Abdullah backs Jinnah, blames Nehru and Sardar Patel for partition

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more