সাত মাস পর বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেলেন ফারুক আবদুল্লা! কবে ছাড়া হবে ওমর-মেহবুবাকে?
২০১৯ সালের ৫ অগাস্ট থেকে বন্দিদশা কাটাচ্ছিলেন জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাহ। সেই বন্দিদশা থেকে শেষ পর্যন্ত মুক্তি পেলেন ফারুক আবদুল্লাহ। আজ এক সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় এই বিষয়টি।

কী বলা হয় সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে
সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, 'জম্মু ও কাশ্মীরের জননিরাপত্তা আইনের ১৯(১) ধারার অধীনে আটক করে রাখা হয়েছিল ফারুক আবদুল্লাহকে। সেই আটক অবস্থার অবসান ঘটল। শ্রীনগরের জেলাশাসকের আদেশ অনুসারে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।'

কী এই জননিরাপত্তা আইন ?
প্রসঙ্গত,১৯৭৮ সালে জননিরাপত্তা আইন সংক্রান্ত এই পিএসএ আইটনি পাশ করিয়েছিলেন জম্মু ও কাশ্মীরের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী তথা ফারুখ আব্দুল্লাহর বাবা শেখ আবদুল্লাহ। প্রায় চার দশক আগের এই আইন অনুসারে, কোনও বিচার ছাড়াই এই আইনে যে কাউকে দুবছর পর্যন্ত আটক করে রাখা যায়। কয়েক দশক ধরে জঙ্গি, বিচ্ছিন্নতাবাদী এবং ইট-পাটকেল ছোড়ার অপরাধে যুক্তদের বিরুদ্ধে এই আইন ব্যবহার করা হচ্ছিল।

৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের পরই বদলে যায় কাশ্মীরের চিত্র
৫ আগস্ট জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ প্রত্যাহারের ঘোষণার মধ্য দিয়ে কাশ্মিরের বিশেষ অধিকার বাতিল করা হয়। এরপর অপর একটি আইন পাশ করিয়ে জম্মু ও কাশ্মিরকে এবং লাদাখকে পৃথক দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করার কথা ঘোষণা করা হয়। এই পদক্ষেপকে কেন্দ্র করে কাশ্মীর জুড়ে মোতায়েন করা হয় বিপুলসংখ্যক অতিরিক্ত নিরাপত্তারক্ষী। ইন্টারনেট-মোবাইল পরিষেবা বন্ধ রাখা হয় বহুদিন।

বাকি নেতাদের ছাড়া হবে কবে?
এই অবস্থাতেই গ্রেফতার করা হয় সেখানকার বিচ্ছিনতাবাদী নেতা ও রাজনৈতিক নেতাদের। আটক করে রাখা হয় প্রাক্তন তিন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আব্দুল্লাহ, তাঁর ছেলে ওমর আব্দুল্লাহ ও মেহবুবা মুফতিকে আটক করে গৃহবন্দি করা হয়। এইভাবে রাজনৈতিকদের আটক করে রাখার বিরুদ্ধে বহুবার সরব হয়েছে বিরোধীরা। সরব হওয়া বিরোধী নেতাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে ফারুককে ছাড়া হলেও ওমর আবদুল্লাহ ও মেহবুবা মুফতিকে কবে ছাড়া হবে, তা এখনও জানা যায়নি।












Click it and Unblock the Notifications