প্রথম দফার নির্বাচনে অশান্তি–বুথ দখলের অভিযোগ, মণিপুরের ন’টি বুথে পুনরায় ভোট করার ঘোষণা
প্রথম দফার নির্বাচনে অশান্তি–বুথ দখলের অভিযোগ, মণিপুরের ন’টি বুথে পুনরায় ভোট করার ঘোষণা
মণিপুরের ন’টি বুথে পুনরায় ভোট করার ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। মূলতঃ এই নয়টি বুথ থেকেই অশান্তির খবর এসেছিল ২৮ ফেব্রুয়ারি এ রাজ্যে প্রথম দফার নির্বাচনের সময়। নতুন করে যে ন’টি বুথে ভোট গ্রহণ হবে সেগুলি মণিপুরের চুরাচাঁদপুর জেলায় অবস্থিত।

প্রসঙ্গত, পোলিং বুথ দখল ও ভোটে একাধিক অনিয়মের অভিযোগ তুলে উপজাতি ছাত্র সহ মণিপুরের কয়েকটি অংশের মানু্য চুরাচাঁদপুর জেলার হেঙ্গলেপ বিধানসভা কেন্দ্রের ২৭টি ভোটকেন্দ্র এবং ইম্ফল পূর্ব জেলার কেইরাও বিধানসভা কেন্দ্রের অন্যান্য আটটি কেন্দ্রে পুনরায় ভোট গ্রহণের দাবি করেছে। এই নয়টি বুথের মধ্যে রয়েছে থানলোন (এসটি) বিধানসভা কেন্দ্রের সঙ্গসাং মিশন স্কুল, মাইতি এমই স্কুল ও তিনসুয়াং এমই স্কুল, হেঙ্গলেপ বিধানসভা কেন্দ্রের মাজুরন কুকি, খৈরেনটক, মলসাং ও লেইনম এবং সিংহাট (এটি) বিধানসভা কেন্দ্রের টেইকত ও মউকট রয়েছে।
মণিপুর বিধানসভা কেন্দ্রে প্রথম দফার নির্বাচন হয় সোমবার ২৮ ফেব্রুয়ারি। ভোট চলাকালীন একাধিক জায়গা থেকে ভুয়ো ভোট সহ দফায় দফায় অশান্তির খবর আসতে শুরু করে। সাতটি পোলিং স্টেশনে ইভিএম মেশিন ভাঙচুর করার এফআইআর দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন অফিসার রাজেশ আগরওয়াল। আগরওয়াল বলেন, 'চুরাচাঁদপুর জেলার টিপাইমুখ বিধানসভা কেন্দ্রের পোল ডিউটিতে কর্মরত রাজ্য পুলিশের কর্মী নাওরেম ইবোচৌবা তাঁর সার্ভিস রাইফেল দিয়ে দুর্ঘটনাবশত গুলি চলে তাঁর মৃত্যু হয়।’ অন্যদিকে চুরাচাঁদপুর জেলায় দুই রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষের কারণে এক ব্যক্তি আহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। একটি বুথে ইভিএম মেশিন বিকল হওয়ার খবর পাওয়া যায় তবে তা বদল করে দেওয়া হয়।
অন্যদিকে ইম্ফলের পশ্চিম জেলায় লাঙ্গথাবাল বিধানসভা কেন্দ্রে কংগ্রেস কর্মীদের ওপর পোলিং বুথ ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া কেইরাও বিধানসভা কেন্দ্রে ন্যাশনাল পিপল পার্টির (এনপিপি) প্রার্থীর গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে বিরোধী দলের সমর্থকদের বিরুদ্ধে। যদিও এই ঘটনায় কেউ আহত হয়নি।
প্রসঙ্গত, বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম পর্বের ৪৮ ঘণ্টা আগে শনিবার রাতে চুরাচাঁদপুর জেলার গাংপিমুয়াল গ্রামের একটি বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণে একজন শিশুসহ অন্তত দুইজন নিহত ও পাঁচজন আহত হয়। একজন জেলা পুলিশ কর্মকর্তা জানান যে বোমা বিস্ফোরণে শিশুসহ সাতজন গুরুতর আহত হয়েছেন এবং তাদের জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, যেখানে মাংমিনলাল (৬) এবং লাঙ্গিনসাং (২২) আহত হয়ে মারা যান।












Click it and Unblock the Notifications