‘স্বচ্ছতার ভয় পাচ্ছে নির্বাচন কমিশন’, একহাত নিল কংগ্রেস
কংগ্রেস শনিবার জাতীয় নির্বাচন কমিশনের জন্যে নিন্দা প্রকাশ করেছে। কেননা ইসিআই সম্প্রতি সিসিটিভি ফুটেজ, ওয়েবকাস্টিং রেকর্ডিং এবং প্রার্থীদের ভিডিও ফুটেজ সহ বৈদ্যুতিন নথির ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম সংশোধন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কংগ্রেস নির্বাচন কমিশনকে কটাক্ষ করে বলেছে, "নির্বাচন কমিশন দ্বারা পরিচালিত নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় দ্রুত ক্ষয় ধরছে"।
দলটি নির্বাচনী প্যানেলের বিরুদ্ধে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নষ্ট করার অভিযোগও তুলেছে। জয়রাম রমেশ এদিন এক্স হ্যান্ডেলে টুইট করে লেখেন, "সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের নির্বাচন কমিশন (ইসিআই) দ্বারা পরিচালিত নির্বাচনী প্রক্রিয়ার দ্রুত ক্ষয় ধরা প্রমাণ হয়েছে"।

২০ ডিসেম্বরের একটি বিজ্ঞপ্তি ভাগ করে কংগ্রেস নেতা বলেছেন, "ইসিআই-এর এই পদক্ষেপকে এখনই আইনিভাবে চ্যালেঞ্জ করা হবে"। ইসিআই কেন স্বচ্ছতা নিয়ে এত ভয় পাচ্ছে? সেই প্রশ্ন রেখেছেন কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক।
সংবাদ সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, কেন্দ্রীয় সরকার কিছু ইলেকট্রনিক নথি যেমন সিসিটিভি ক্যামেরা এবং ওয়েবকাস্টিং ফুটেজের পাশাপাশি প্রার্থীদের অপব্যবহার রোধ করতে প্রার্থীদের ভিডিও রেকর্ডিংয়ের জনসাধারণের পরিদর্শন রোধ করার জন্য একটি নির্বাচনী নিয়ম পরিবর্তন করার কথা বলেছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সুপারিশের ভিত্তিতে, কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রক শুক্রবার নির্বাচন পরিচালনার বিধিমালা, 1961-এর বিধি 93(2)(a) সংশোধন করেছে। যাতে "কাগজপত্র" বা নথিপত্রের ধরন জনসাধারণের তদারকির জন্য উন্মুক্ত করা হবে বলে উল্লেখ করা ছিল।
বিধি ৯৩ অনুসারে, নির্বাচন সম্পর্কিত সমস্ত "কাগজপত্র" জনসাধারণের তদারকির জন্য উন্মুক্ত করা হবে। আইন মন্ত্রণালয় এবং ইসির কর্মকর্তারা পৃথকভাবে ব্যাখ্যা করেছেন যে আদালতের একটি মামলা সংশোধন করা হবে দ্রুতই।
নমিনেশন ফরম, নির্বাচনী এজেন্ট নিয়োগ, ফলাফল এবং নির্বাচনী হিসাব বিবরণীর মতো নথিপত্র নির্বাচনী আচরণবিধিতে উল্লেখ থাকলেও, নির্বাচনী আচরণবিধির সময়কালে ইলেকট্রনিক নথি যেমন সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ, ওয়েবকাস্টিং ফুটেজ এবং প্রার্থীদের ভিডিও রেকর্ডিং উল্লেখ করা হত না। এবার থেকে সেই সবই উল্লেখ করা হবে নির্বাচনী কাগজপত্রে। ভোটে স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্যেই এই ব্যবস্থাপনা বলে মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications