• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

    ভগবানের সেবার নামে যুবতীদের অর্ধনগ্ন করার রীতি, খবর করায় সম্পাদককে খুনের হুমকি

    • By Soumik Bose
    • |

    মন্দিরের ভেতরের একটি অদ্ভুত ও অস্বাস্থ্যকর রীতি নিয়ে খবর করায় রীতিমত হুমকি ও ভয় দেখানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করলেন নিউজ ওয়েবসাইটের এডিটর- ইন চিফ। ঘটনাটি ঘটেছে মাদুরাই-এর একটি গ্রামের মন্দিরের খবর করার পর।

    অর্ধনগ্ন মেয়েদের নিয়ে মন্দিরের এই রীতি চমকে দেয়, খবর করায় হুমকি সম্পাদককে

    মাদুরাইয়ের ভেল্লালুর গ্রামের একটি মন্দিরের রীতি অনুযায়ী, ১০- ১৪ বছর বয়সী সাতজন মেয়েকে বেছে নেন ওই মন্দিরের পুরোহিত। সেই সাতজনকে পনেরোদিনের জন্য় মন্দিরের ভেতরে থাকতে হয়। কিন্তু এই ১৫ দিন তাদের শরীরে ওপরের অংশ অনাবৃত থাকে। শুধু ফুলের মালা ও সোনার গয়না থাকে মাথা থেকে কোমর পর্যন্ত। ৬২টি গ্রাম থেকে কমপক্ষে ১০০ মেয়েকে হাজির করানো হয় অনুষ্ঠান শুরুর আগে। তাদের মধ্যে থেকে ৭জনকে বেছে নেন মন্দিরের পুরোহিত।

    ভিডিও সহ এই খবর ওয়েবসাইটে প্রকাশ হওয়ামাত্রই জেলা প্রশাসন তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। এবিষয়ে গঠিত কমিটির রিপোর্ট অনুযায়ী এই রীতি শতাব্দী প্রাচীন, কিন্তু কোনওদিনও কোনও যৌন নির্যাতনের কোনও খবর পাওয়া যায়নি। কিন্তু এরপরেই নিউজ ওয়েবসাইটের এডিটর ইন চিফ বিদ্যাশ্রী ধর্মরাজকে হুমকি ফোন আসতে শুরু হয়।

    পরিস্থিতি এমন জায়গায় চলে গিয়েছে যে তাঁকে ফোন সুইচ অফ করে রাখতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যাশ্রী। ইতিমধ্যেই কোয়েম্বাটুর পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। সেইসঙ্গে যেই নম্বরগুলি থেকে হুমকি ফোন আসছিল সেগুলিও পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন তিনি।

    English summary
    Editor-in Chief of a news website gets threat calls over a story over half naked girls in a Madurai temple ritual
    For Daily Alerts

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more