• search

ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় ৫ অগস্ট পর্যন্ত স্থগিতাদেশ দিল্লি হাই কোর্টের

  • By ananya pratim
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts
    গান্ধী
    কলকাতা, ১ অগস্ট: ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় ৫ অগস্ট পর্যন্ত স্থগিতাদেশ দিল দিল্লি হাই কোর্ট। ওই দিন ফের মামলার শুনানি হবে। ৭ অগস্ট সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধীকে সশরীরে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিল পাটিয়ালা হাউস কোর্ট। হাই কোর্ট সেই নির্দেশের ওপরই স্থগিতাদেশ দেয়।

    প্রসঙ্গত, দুর্নীতি মামলায় প্রাথমিকভাবে তথ্যপ্রমাণ পাওয়ায় সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধীকে সশরীরে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। একই সঙ্গে আরও চারজন অভিযুক্তকে হাজির থাকতে বলা হয়েছিল। তাঁরা হলেন স্যাম পিত্রোদা, অস্কার ফার্নান্ডেজ, মোতিলাল ভোরা এবং সুমন দুবে।

    বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর রুজু করা একটি মামলার পরিপ্রেক্ষিতে জুন মাসে এমন নির্দেশ দিয়েছিল পাটিয়ালা হাউস কোর্ট।

    কেন এই সমন?

    তখন ১৯৩৮ সাল। দেশের স্বাধীনতা আন্দোলন তুঙ্গে। জওহরলাল নেহরু উপলব্ধি করলেন, একটি সংবাদপত্র থাকা দরকার, যারা দেশের মানুষের কথা তুলে ধরবে। ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে কথা বলবে। সেই ভাবনা থেকে জন্ম নেয় 'দ্য ন্যাশনাল হেরাল্ড'। এই খবরের কাগজটি সুষ্ঠুভাবে চালাতে একটি প্রকাশনা সংস্থাও গঠন করা হয়, যার নাম ছিল 'অ্যাসোসিয়েটেড জার্নালস' এবং এটি ছিল একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি। ২০০৮ সালে অর্থের অভাবে 'দ্য ন্যাশনাল হেরাল্ড' এবং 'অ্যাসোসিয়েটেড জার্নালস', দু'টিই বন্ধ হয়ে যায়।

    এ বার ঘটনা নাটকীয় মোড় নেয়! ২০১০ সালের নভেম্বরে গান্ধী পরিবারের আনুকূল্যে তৈরি হয় একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি। 'ইয়ং ইন্ডিয়ান্স' নামের ওই কোম্পানির ৭৬ শতাংশ শেয়ার হল সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধীর। তাঁরা বন্ধ হয়ে যাওয়া 'অ্যাসোসিয়েটেড জার্নালস' অধিগ্রহণ করতে উদ্যোগী হয়ে ওঠেন। কংগ্রেসের দলীয় তহবিল থেকে ৯০ কোটি টাকা নেওয়া হয়। সেই টাকা দিয়ে বন্ধ হয়ে যাওয়া কোম্পানির শেয়ার গোপনে কিনে তার মালিকানা নেয় গান্ধীদের ওই নবগঠিত কোম্পানিটি। এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট আইন অনুসরণ করা হয়নি।

    সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর অভিযোগ, গান্ধী পরিবারের মূল উদ্দেশ্য ছিল দিল্লি ও উত্তরপ্রদেশে 'দ্য ন্যাশনাল হেরাল্ড'-এর নামে যে বিপুল সম্পত্তি আছে, তা হস্তগত করা, যার বাজারদর বর্তমানে ১৬০০ কোটি টাকা!

    এখন যে অনিয়মগুলি সামনে এসেছে, তা হল: প্রথমত, আয়কর আইন অনুযায়ী, কোনও রাজনীতিক দল বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে টাকা বিনিয়োগ করতে পারে না। দ্বিতীয়ত, একটি রাজনীতিক দলের টাকা কেন একটি পরিবার তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করবে? তৃতীয়ত, একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিকে যে পন্থায় প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানিতে পরিণত করা হয়েছে, তা আইনবিরুদ্ধ। কারণ এমন হস্তান্তরের ক্ষেত্রে 'কোম্পানিজ অ্যাক্ট'-এর কিছু ধারা মেনে কাজ করতে হয়। এক্ষেত্রে তা হয়নি।

    এদিকে, গান্ধী পরিবারের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রমাণ জোগাড় করতে তদন্ত শুরু করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। মামলার সারবত্তা কতটা, তা জানতেই আরম্ভ হয়েছে প্রমাণ সংগ্রহের কাজ। কংগ্রেস যথারীতি একে 'প্রতিহিংসার রাজনীতি' বলে বর্ণনা করেছে।

    English summary
    ED starts probe into allegations against Gandhis

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more