সোনিয়া গান্ধীকে জিজ্ঞাসাবাদের বাদের পর তল্লাশি অভিযানে ইডি, বাদ গেল না ন্যাশনাল হেরাল্ডের দফতর
সোনিয়া গান্ধীকে জিজ্ঞাসাবাদের বাদের পর তল্লাশি অভিযানে ইডি, বাদ গেল না ন্যাশনাল হেরাল্ডের দফতর
সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধীকে জিজ্ঞাসাবাদের পর এবার ন্যাশনাল হেরাল্ডের সঙ্গে যুক্ত ১০টি স্থানে তল্লাশি চালাল ইনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এরমধ্যে ন্যাশনাল হেরাল্ডের দফতরেও ইডি তল্লাশি চালিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধীর সংস্থা ইয়ং ইন্ডিয়া লিমিটেড ন্যাশনাল হেরাল্ড সংবাদপত্রের মালিক। অভিযোগে দুই কংগ্রেস নেতা ন্যাশনাল হেরাল্ডে আর্থিক চুক্তির মাধ্যমে দলীয় তহবিলের অপব্যবহার করেছিলেন।

ন্যাশনাল হেরাল্ড সংবাদপত্র
১৯৩৮ সালে জহরলাল নেহরু ও অন্যান্য স্বাধীনতা সংগ্রামীরা ন্যাশনাল হেরাল্ড পত্রিকাটি প্রতিষ্ঠা করেন। এই পত্রিকা প্রতিষ্ঠার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল, দেশের বিভিন্ন বিষয়ে কংগ্রেসের উদ্বেগ প্রকাশ করা। নিজেদের মতামত দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে দেওয়া। স্বাধীনতার পরে এই সংবাদপত্রটি কংগ্রেসের মুখপত্র হয়ে ওঠে। এরপরে হিন্দি ও উর্দুতে আরও দুটি সংবাদপত্র প্রকাশ করা হয়। ৯০ কোটি টাকার ঋণ শোধ করতে না পেরে ২০০৮ সালে ন্যাশনাল হেরাল্ড বন্ধ হয়ে যায়।

সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধীকে জিজ্ঞাসাবাদ
ন্যাশনাল হেরাল্ড দুর্নীতি মামলায় সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধীকে কয়েক দফায় ইডি জিজ্ঞাসাবাদ করে। সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধীকে ইডি তলব করে। শারীরিক অসুস্থতার জন্য সেই সময় সোনিয়া গান্ধী ইডি দফতরে হাজিরা দিতে পারেননি। করোনায় আক্রান্ত হয়ে তিনি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। রাহুল গান্ধী ইডির দফতরে হাজিরা দেন। কয়েক দফায় দীর্ঘ সময় ধরে রাহুল গান্ধীকে ইডির আধিকারিকরা জিজ্ঞাসাবাদ করেন। সুস্থ হওয়ার পর সোনিয়া গান্ধী ইডির দফতরে হাজিরা দেন। তাঁকে তিন দফায় ইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে হয়। প্রথম থেকেই সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধী ন্যাশনাল হেরাল্ড দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছেন।

দেশ জুড়ে বিক্ষোভ
সোনিয়া গান্ধীকে ইডির জিজ্ঞাসাবাদের বিরোধিতা করে কংগ্রেসের নেতা কর্মীরা দেশ জুড়ে বিক্ষোভ দেখান। বিক্ষোভ দেখানোর অপরাধে পুলিশ একাধিকবার কংগ্রেসের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের আটক করেন। পরে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়। রাহুল গান্ধী, পি চিদাম্বরম, ভেনুগোপাল, অধীর রঞ্জন চৌধুরী, সচিন পাইলট, জয়রাম রমেশ সহ একাধিক শীর্ষস্থানীয় নেতাকে আটক করা হয়। সংসদে কংগ্রেস সাংসদরা মিছিল করে গান্ধী মূর্তির পাদদেশ থেকে বিজয় চকের দিকে যাচ্ছিলেন। সেই বিক্ষোভ মিছিলেও পুলিশ বাধা দেয় বলে অভিযোগ। এছাড়াও গুয়াহাটি, কর্ণাটক, রাজস্থান সহ দেশের একাধিক জায়গায় কংগ্রেসের নেতা কর্মীরা বিক্ষোভ দেখান। রাহুল গান্ধীকে জিজ্ঞাসাবাদের সময়েও কংগ্রেসের নেতা কর্মীরা বিক্ষোভ দেখান। কংগ্রেসে অভিযোগ, সেই সময় দলের সদর দফতর থেকে পুলিশ নেতা-কর্মীদের আটক করে।












Click it and Unblock the Notifications