Arvind Kejriwal: দিল্লি ভোটের মুখে 'বিপদ' বাড়ল কেজরিওয়ালের! সবুজ সঙ্কেত দিল শাহের মন্ত্রক, এবার তাহলে...
Arvind Kejriwal: সামনেই দিল্লির বিধানসভা নির্বাচন (Delhi Election 2025)! আর সেই নির্বাচনের আগে কার্যত 'বিপদ' বাড়ল অরবিন্দ কেজরিওয়ালের। আবগারি দুর্নীতি মামলায় (Delhi liquor policy case) তাঁর বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চালাতে কোনও বাঁধা আর থাকছে না। ফলে ভোটের মুখে যে দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা আম আদমি পার্টি সুপ্রিমোর উপর যে চাপ বাড়তে চলেছে তা কার্যত স্পষ্ট।
গত কয়েকদিন আগে একই ভাবে এই সংক্রান্ত মামলায় দিল্লির উপরাজ্যপাল অনুমোদন দেয়। এবার আবগারি দুর্নীতি মামলায় কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চালাতে ছাড়পত্র দিয়ে দিল অমিত শাহের মন্ত্রক। একই সঙ্গে মনীশ সিসোদিয়া (Manish Sisodia) র বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়ায় সবুজ সঙ্কেত দেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

আগামী মাস অর্থাৎ ফেব্রুয়ারির শুরুতেই দিল্লি বিধানসভা নির্বাচন। এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ক্রমশ চড়ছে পারদ।বিশেষ করে বিজেপি এবং আপ, দুই দলের কাছেই প্রেস্টিজিয়াস ফাইট। একদিকে আপ এবং কেজরিয়ালের বিরুদ্ধে একের পর এক দুর্নীতিকে হাতিয়ার করে প্রচার করছে বিজেপি। অন্যদিকে মূল্যবৃদ্ধি সহ একাধিক ইস্যুকে বিজেপির বিরুদ্ধে হাতিয়ার করা হচ্ছে।
এরে মধ্যেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট-কে তদন্ত ও পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে ইডিকে ছাড় খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। বলে রাখা প্রয়োজন, গত বছর এই সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্ট জানায়, কোনও জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপ প্রতিরোধ আইনে বিচারপ্রক্রিয়া শুরু করতে প্রয়োজন রাজ্য সরকারের সম্মতি। আর তা ছাড়া কখনও বিচারপ্রক্রিয়া শুরু করা যায় না।
ইডি এই ক্ষেত্রে বেশ কিছু সুবিধা পেত। কোনও জন প্রতিনিধির বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়ার ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের সম্মতির প্রয়োজন হত না। সুপ্রিম কোর্টের এহেন পর্যবেক্ষণের পরেই এই বিষয়ে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট উঠে পড়ে লাগে। অনুমতি পেতে দিল্লির উপরাজ্যপাল এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে চিঠি দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তছরুপ প্রতিরোধ আইনে বিচারের অনুমতি চাওয়া হয়।
যে চিঠি ইডি লেখে সেখানে একের পর এক বিস্ফোরক দাবি করা হয়। শুধু তাই নয়, আবগারী দুর্নীতি মামলায় আম আদমি সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে 'কিংপিন' হিসাবে দেখানো হয়। এখানেই শেষ নয়, আবগারী মামলায় ইডির চার্জশিটে কেজরিওয়ালকে অভিযুক্ত করা হয়। এতে প্রায় ২০০ পাতার চার্জশিট দেওয়া হয়।
আর তা দেখে আদালত জানায়, দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে পদ ক্ষেপ করার জন্য যথেষ্ট তথ্য চার্জশিটে আছে। যদিও এই বিষয়কে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। বলে রাখা প্রয়োজন, গত বছর মার্চ মাসে আবগারী মামলায় গ্রেফতার করা হয়। পরে স্যোন অ্যারেস্ট করে সিবিআই।












Click it and Unblock the Notifications