ফেল মোদীর প্যাকেজ, করোনা আবহে দেশের জিডিপি সঙ্কুচিত হতে পারে ১৮.৩ শতাংশ!

করোনা আবহে নেগেটিভে যেতে চলেছে দেশের অর্থনীতি। দেশের ইতিহাসে সব থেকে বাজে পরিস্থিতিতে পৌঁছাতে চলেছে প্রবৃদ্ধির হার, এমনই আশঙ্কা করছেন বহু অর্থনীতিবিদ। সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের এক সমীক্ষায় অর্থনীতিবিদদের অধিকাংশ আশঙ্কা প্রকাশ করে জানিয়েছেন যে চলতি ত্রৈমাসিকে দেশের জিডিপি সঙ্কুচিত হতে পারে রেকর্ড ১৮.৩ শতাংশ হারে!

সমীক্ষায় অর্থনীতিবিদরা কী দাবি করলেন?

সমীক্ষায় অর্থনীতিবিদরা কী দাবি করলেন?

সমীক্ষায় অর্থনীতিবিদদের দাবি, চলতি অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে দেশের অর্থনীতি রেকর্ড হ্রাস দেখবে জিডিপি বৃদ্ধির হারে। করোনা আবহে ইতিমধ্যেই বাজারে জিনিসপত্রের চাহিদা গিয়ে ঠেকেছে তলানিতে। এই অবস্থাতেই আজ বিকেলে অর্থ বছরের প্রথম তিন মাস, এপ্রিল থেকে জুনের আর্থিক বৃদ্ধির হার প্রকাশ হবে।

লকডাউনের জেরে থমকে অর্থনীতি

লকডাউনের জেরে থমকে অর্থনীতি

যেই তিন মাসের রিপোর্ট এদিন প্রকাশ করার কথা, সেই তিন মাসের সিংহ ভাগ সময়েই লকডাউনের জেরে দেশের অর্থনীতি কার্যত অচল ছিল। ফলে জিডিপি-র সঙ্কোচন হবে, আর্থিক বৃদ্ধির হার শূন্যের অনেক নিচে থাকবে, তা নিয়ে কোনও দ্বিমত নেই। তবে প্রশ্ন হল সেই সঙ্কোচনের হার কত হবে। আর সেই প্রশ্নের জবাবেই আশঙ্কাজনক এই দাবি অর্থনীতিবিদদের।

আর্থিক দুর্দশার চিত্র

আর্থিক দুর্দশার চিত্র

কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান মন্ত্রকের কর্তারা বলছেন, সোমবার তাঁরা তিন মাসের জিডিপি-র হিসেব প্রকাশ করলেও সেখানে অর্থনীতির দুর্দশার পুরো ছবি ফুটে উঠবে না। বাস্তবে অর্থনীতির সঙ্কোচন কতখানি, তা পরে আরও বেশি করে টের পাওয়া যাবে। তখন সঙ্কোচনের হার আরও বাড়াতে হতে পারে।

চলতি বছরে ভারতের অর্থনীতি ৯ শতাংশ হ্রাস পেতে পারে

চলতি বছরে ভারতের অর্থনীতি ৯ শতাংশ হ্রাস পেতে পারে

অর্থনীতিবিদদের আশঙ্কা, ২০২১-২২ অর্থবর্ষে ভারতীয় অর্থনীতি আরও হ্রাস পেতে পারে। এই সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট পেশ করে ম্যাককিনসে। ম্যাককিনসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি অর্থবর্ষে ভারতের অর্থনীতি ৩ থেকে ৯ শতাংশ হ্রাস পেতে পারে। এর আগে ২০১৯-২০ অর্থবর্ষের শেষ ত্রৈমাসিকে দেশের প্রবৃদ্ধি হার ছিল ৩.১ শতাংশ। যা গত আট বছরের নিরিখে সর্বনিম্ন ছিল।

মোদীর প্যাকেজ ফেল

মোদীর প্যাকেজ ফেল

করোনা ভাইরাস জর্জরিত অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে ২০ লক্ষ কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে অনেক বিশেষজ্ঞরই মত ছিল যে এটা পর্যাপ্ত নয়। অনেকেই মনে করছিল, রাজকোষের ঘাটতি বাড়িয়ে লকডাউনে উদারহস্ত হতে চায়নি কেন্দ্রীয় সরকার। সরকারের ভয় ছিল, তাতে ভারতের রেটিং কমিয়ে দেবে সংস্থাগুলি। যার জেরে বিনিয়োগকারীরা আর আসবে না দেশে। তবে দেশের অর্থনীতির যা হাল, তাতে সেই আশঙ্কাই সত্যি হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+