গাফিলতি হয়েছে স্বীকার নির্বাচন কমিশনের, ভোটের তালিকায় অনেকের নাম না থাকায় ক্ষমা প্রার্থনাও

ব্রহ্ম জানিয়েছেন, নির্বাচন শেষ হলে কোথায় গাফিলতি হয়েছে, বা কি কি ভুল হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হবে। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা হওয়ার পরই আবার ভোটারের গণনা শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। কেন এই রকমের ঘটনা ঘটল তা খুঁজে বের করতে হবে। ব্রহ্ম বলেন, আমি অন্তত আমার পেশাগত জীবনে এত বড় রকমের কার্যগত ত্রুটি প্রত্যক্ষ করিনি।
এক্ষেত্রে যথেষ্ট নজরদারির অভাবকেই দায়ী করছেন ব্রহ্ম। ঠিকমতো নজরদারির অভাবেই অননুমোদিত ভাবে বহু নাম বাদ গিয়েছে। তৃণমূল স্তরে সংযোগের অভাবেই এই ধরণের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন তিনি। নিজেদের ভুল শুধরোতে হবে বলেও মন্তব্য করেন ব্রহ্ম।
ভোটের প্রথম দিন থেকেই ভোটার তালিকায় নাম না ওঠার এক-দুটো খুচরো খবর এলেও সেভাবে গা করেনি নির্বাচন কমিশন। কিন্তু গতকাল ষষ্ঠ দফার ভোটে মুম্বইয়ের হাজার হাজার মানুষ ভোটার তালিকায় নাম না ওঠার কারণে ভোট দিতে না পেরে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এমনকী বম্বে হাইকোর্টে এনিয়ে একটি জনস্বার্থ মামলাও দায়ের করা হয়েছে। এর পরেই নড়ে চড়ে বসে কমিশন।
যদিও মহারাষ্ট্র নির্বাচন কমিশনারের বক্তব্য, সংবাদ পত্রে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে একাধিক বিজ্ঞাপন দিয়ে জানানো হয়, ভোটার তালিকায় নাম উঠেছে কি না তা অনলাইনে যাচাই করে নেওয়ার জন্য। ২০ মে যখন ভোটের তালিকা পরিমার্জন করা হচ্ছিল তখন এই বাদ যাওয়া নামগুলি তালিকায় যুক্ত করা যেত।
এইচডিএফসির চেয়ারম্যান দীপক পারেখের নামও এবারের ভোটারের তালিকায় ছিল না। মুম্বইয়ের স্থানীয় এক বাসিন্দার অভিযোগ, ভোটকর্মীরা শুধুমাত্র ভোটার স্লিপ চাইছেন। ভোটার কার্ড অপ্রয়োজনীয় ৬বলে নাকোচ করে দিয়েছেন তাঁরা। ভোটার তালিকায় নাম না থাকলে ভোট দেওয়া যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছিলেন তারা। পুণের অবস্থা আরও খাপার। খবর অনুযায়ী, প্রায় ১ লক্ষ ভোটারের নাম তালিকা থেকে উধাও।












Click it and Unblock the Notifications