'লড়াইয়ের স্পর্ধাই হাল ছাড়তে দেয়নি নির্ভয়াকে', চার আসামির ফাঁসির পর স্মৃতিচারণায় চিকিৎসক
'লড়াইয়ের স্পর্ধাই হাল ছাড়তে দেয়নি নির্ভয়াকে', চার আসামির ফাঁসির পর স্মৃতিচারণায় চিকিৎসক
সেই পাশবিক ও নৃশংস ঘটনার কথা মনে করলে আজও শিউরে ওঠে দেশবাসী। ২০১২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর, এক নারকীয় ঘটনার সাক্ষী থাকে গোটা দেশ। দিল্লির এক তরুণীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে ৬ যুবক, চলে গণধর্ষণ। অবশেষে দীর্ঘ ১৩ দিনের লড়াই শেষে মৃত্যু হয় ওই তরুণীর। যদিও তার চিকিৎসক জানান শেষ দিন অবধিও হাল ছাড়তে নারাজ ছিলেন নির্ভয়া।

ঠিক কি হয়েছিল সে রাতে?
সেই রাত্রে একটি সিনেমা দেখে তার সঙ্গীর সাথে বাসে বাড়ি ফিরছিলেন জ্যোতি ওরফে নির্ভয়া। সেই বাসেই চলে ধর্ষণ, সঙ্গীকে মারধর করে তরুণীর শরীরে লোহার রড ঢুকিয়ে চলে ৬ ধর্ষকের পাশবিক উল্লাস। এই অত্যাচারের সঙ্গে প্রায় ১৩ দিন লড়াই করে শেষমেশ মৃত্যু হয় নির্ভয়ার।

স্মৃতিচারণায় নির্ভয়ার প্রথম চিকিৎসক
আজ ফাঁসির পরেই চিকিৎসক বিপুল কান্দওয়ালের চোখে ভেসে ওঠে সেই রাত্রের ঘটনা। তিনি জানান, "অবশেষে বিচার পেল নির্ভয়া। মেয়েটির লড়াইয়ের স্পর্ধা তাকে হাল ছাড়তে দেয়নি।" গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্ট বিপুল কান্দওয়াল দিল্লির সাফদারজং হাসপাতালে নির্ভয়াকে বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন। তাকেই নির্ভয়ার প্রথম ডাক্তার হিসেবে মনে করা হয়। ঘটনার পর অনেক মাস যাবত ঠিক করে খেতে ঘুমোতে পারেননি তিনি, আজ ফাঁসির কিছুটা স্বস্তির হাসি তার মুখেও।

তিহার জেলে ফাঁসি চার আসামির,অবশেষে লড়াই জিতলেন নির্ভয়ার মা
দীর্ঘ ৭ বছর তিন মাস পর অবশেষে মিলল বিচার। তিহার জেলে আজ কার্যত ইতিহাস তৈরী হল, নির্ভয়া গণধর্ষণ কান্ডের ৪ অভিযুক্তের একসাথে ফাঁসি হল আজ। স্বাধীন ভারতে এই ঘটনা প্রথমবার। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে দাঁতে দাঁত চেপে পড়েছিলেন। অপেক্ষা করেছিলেন মেয়ের মৃত্যুর জন্য দায়ী যারা, তারা কঠোর শাস্তি পাবে। লক্ষ্যভ্রষ্ট হননি। হাল ছেড়ে দেননি। সাহস জুগিয়েছিল নির্ভয়ার একটাই কথা ‘দোষীদের যেন শাস্তি হয়'।












Click it and Unblock the Notifications