Chandrayaan 3: কম খরচে আরও উন্নত প্রযুক্তি, চন্দ্রযান ২ ও ৩ -এর ফারাক ঠিক কোথায়?
Chandrayaan 3: ইতিহাসের মুখোমুখি ভারত! হাতে আর মাত্র কয়েক ঘন্টা। শুরু হয়ে গিয়েছে কাউন্টডাউন। সবকিছু ঠিক থাকলে বুধবার ছ'টা বেজে চার মিনিটে চাঁদের মাটি ছোঁবে ভারতের এই মহাকাশ যান। চাঁদের অন্ধকার দিকে ল্যান্ডিংয়ের সময়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
যে কোনও সময় একটা অঘটন সমস্ত মিশনকে ব্যর্থ করতে পারে। ফলে প্রতি মুহূর্তটা এখন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ফলে এখন কোনও রিস্ক নিচ্ছেন না বিজ্ঞানীরা। অন্তত Chandrayaan-2 থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার অনেক বেশি সতর্ক ইসরো। একেবারে প্রথমদিন থেকে প্রতিটি পদক্ষেপ ভেবে চিন্তে এ নেওয়া হয়েছে। বেশ কিছু সিদ্ধান্ত ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে বদলও করা হয়।

কিন্তু চন্দ্রযান ২ এর থেকে কোথায় আলাদা চন্দ্রযান তিন?
চন্দ্রযান-২ এবং চন্দ্রযান-৩-এর গঠন প্রণালী কার্যত এক। Chandrayaan-2 তে একটি অরবিটার, বিক্রম ল্যান্ডার এবং প্রজ্ঞান রোভার ছিল। কিন্তু Chandrayaan-3 একটি ল্যান্ডার মডিউল (LM), প্রোপলেশান মডিউল ( পিএম) এবং একটি রোভার রয়েছে। শুধু তাই নয়, চন্দ্রযান-২ এর তুলনায় চন্দ্রযান-৩ ল্যান্ডার অনেক বেশি বিপদ বুঝতে সক্ষম। রয়েছে আধুনিক ক্যামেরা। আগের মিশনে একটি মাত্র ক্যামেরার ব্যবহার করা হয়েছে। শক্তি নিশ্চিত করতে মহাকাশ সংস্থা চন্দ্রযান-৩-এ ল্যান্ডার লেগ মেকানিজম পারফরম্যান্স পরীক্ষাও করেছে।
ওজনের ক্ষেত্রে চন্দ্রযান-২ এবং চন্দ্রযান-৩-এর পার্থক্য আছে। চন্দ্রযান-২ এর ওজন ৩,৮৫০ কেজি। যেখানে চন্দ্রযান-৩-এর ওজন প্রায় ৩৯০০ কেজি। propulsion module নিয়ে এর ওজন। আর এই মডিউলের ওজন 2,148 কেজি। ল্যান্ডার মডিউল ( lander module) 1,752 কেজি। এবং রোভার মডিউলের ওজন ২৬ কেজি। Chandrayaan 2 ডিজাইন করা হয়েছে ৭ বছরের দীর্ঘ মিশনে। Chandrayaan 3 এর মিশন প্রথম থেকেই নির্দিষ্ট। তিন থেকে ছয় মাসের।
অন্যদিকে Chandrayaan 2-তে একটাই মেশিন রয়েছে। যা দিয়ে চাঁদ থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হবে। কিন্তু Chandrayaan 3 একটি মাত্র মেশিন রয়েছে। যেটি হল- Spectro-polarimetry। এছাড়াও আগের মিশনের থেকে এই মিশনের খরচ অনেকটাই কম। শুধু তাই নয়, বহু ক্ষেত্রেই আগের মিশনের থেকে এই মিশন আলাদা ভারতীয় মহাকাশ সংস্থার কাছে।












Click it and Unblock the Notifications