কুয়াশার জেরে বিপন্ন পরিষেবা, দিল্লি বিমানবন্দরে ধুন্ধুমার কাণ্ড, নয়া নির্দেশিকা জারি DGCA-র
তাপমাত্রায় অস্বাভাবিক পতন রাজধানী দিল্লিতে। তার উপরে ঘন কুয়াশার চাদর। তার জেরে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে দিল্লির িবমান পরিষেবা। পৌষ সংক্রান্তির দিনে দিল্লি বিমান বন্দরে এই নিয়ে একেবারে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়ে গিয়েছিল।
বিমান সংস্থার কর্মীদের সঙ্গে যাত্রীদের রীতিমতো মারামারি শুরু হয়ে যায়। ইন্ডিগো বিমানের পাইলটের উপর চড়ও হন এক যাত্রী। এমনকী ঘণ্টার পর ঘণ্টা খোলা আকাশের নীচে যাত্রীদের থাকতে বাধ্য করা হয় বলে অভিযোগ। প্রবল ঠান্ডার মধ্যে যাত্রীদের রানওয়েতে বসে খাবার খেতে দেকা গিয়েছে। এমনকী বিমানবন্দরের মধ্যেও যাত্রীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে বিমান সংস্থার কর্মীদের বিরুদ্ধে।

যাত্রীদের এই হয়রানি থেকে বাঁচাতে শেষে হস্তক্ষেপ করেন কেন্দ্রীয় অসামরিক পরিবহণ মন্ত্রী জ্যোরিতাদিত্য সিন্ধিয়া। তিনি বিমানসংস্থাগুলির সঙ্গে এই নিয়ে কথা বলেন। তারপরেই পদক্ষেপ শুরু করে ডিজিসিএ। আবহাওয়ার কঠিন পরিস্থিতির কারণে যাত্রীদের যাতে সমস্যা না হয় সেকরণে এই িনর্দেশিকা জারি করেছে ডিজিসিএ।
তাতে বলা হয়েছে ৩ ঘণ্টার বেশি বিমান উড়তে দেরি হলে বিমান সংস্থা সেই বিমান বাতিল করতে পারেন। এবং যাকত্রীদের সেটা জানিয়ে দিতে হবে। বিমান ৩ ঘণ্টা দেরি থাকলে যাত্রীরাও সচেতন হতে পারবেন বিমান বাতিল করা হয়েছে। তাতে যাত্রীদের হয়রানি কিছুটা হলেও কমবে।
ইজিমাইট্রিপ, এসওটিসি সহ বিভিন্ন বুকিং সংস্থা থেকে পাওয়া তথ্য জানা গিয়েছে অযোধ্যায় এক রাতের হোটেল ভাড়া ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছে। সেটা কোনও পাঁচতারা হোটেলের বা স্যুইটের ভাড়া নয়। হোটেলের এতোটাই সংকট তৈরি হয়েছে অযোধ্যায়। অর্থাৎ এক ধাক্কায় ৫ গুণ বেড়ে গিয়েছে হোটেলের ভাড়া।
অযোধ্যার অন্যতম নামী হোটেল টেন সিজেন্ট কালেকশমন হোটেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে অধিকাংশ হোটেল রুম বুক হয়ে গিয়েছে। যেগুলি ফাঁকা রয়েছে সেগুলির জন্য দিনে ৭০ হাজার টাকার বেশি ভাড়া দিতে হবে। রামায়ণ হোটেলে ভাড়া বেড়ে হয়ে গিয়েছে ৪০,০০০ টাকা।
শুধু অযোধ্যা নিয় হোটেল ভাড়া বেড়েছে লখনউ এবং প্রয়াগরাজেও। অনেকেই অযোধ্যায় হোেটল না পেয়ে লখনউ এবং প্রয়াগরাজে হোটেল বুক করছেন। সেই সুযোগে সেখানকার হোটেলভাড়াও অস্বাভাবিক হারে বেড়ে গিয়েছে। হোটেল ভাড়ার পাশাপাশি বিমানের টিকিটের দামও বেড়েছে। ২২ জানুয়ারি অযোধ্যার বিমানভাড়া ১৫০০০ টাকা থেকে ২০,০০০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছে। অথচ ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা বিমান বাড়া লাগে।












Click it and Unblock the Notifications