• search

এবার দায় এড়ানোর পালা, দিল্লির ধোঁয়াশায় দায়ী পূর্বতন কংগ্রেস সরকার, দাবি মোদী দলের মন্ত্রীর

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    ধোঁয়াশা ঘেরা দিল্লির কোনও পরিবর্তন হল না। সকালের দিকে দূষণের মাত্রা ছিল প্রায় একই। রবিবার কালে শহরের তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রিতে নেমে যাওয়ায় বাতাসের পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। এদিকে ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইবুনাল জল দিয়ে বিষ-বাতাস কমানোর নিদান দিয়েছে।

    এবার দায় এড়ানোর পালা, দিল্লির ধোঁয়াশায় দায়ী পূর্বতন কংগ্রেস সরকার, দাবি মোদী দলের মন্ত্রীর

    [আরও পড়ুন:দিল্লির ভয়াবহ দূষণের জন্য দায়ী পাকিস্তান, এমনটাই বলছেন গবেষকরা]

    আবহ দফতর দিল্লির জন্য আংশিক মেঘলা আকাসের পূর্বাভাস দিয়েছিল। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রির আশপাশে। আর্দ্রতা ৯৮ শতাংশ। পুরো দিল্লি জুড়েই ধোঁয়াশার কারণেই আর্দ্রতার মাত্রা এত বেশি বলে জানিয়েছে আবহ দফতর।

    দিল্লিতে দূষণের জন্য এবার রাজনৈতিক ভাবে দোষারোপের পালা শুরু হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়কর পূর্বতন সরকারকে দিল্লির দূষণের জন্য দায়ী করেছেন। জাভড়েকর এর আগে কেন্দ্রীয় পরিবেশমন্ত্রী হিসেবেও কাজ করেছেন।

    গুজরাতে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে আহমেদাবাদে সাংবাদিকদের জাভড়েকর জানিয়েছেন, নরেন্দ্র মোদী সরকারের জন্য দিল্লির দূষণ বাড়েনি। গত ১০ বছরে সরকার ঠিকঠাক ব্যবস্থা না নেওয়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

    [আরও পড়ুন:দূষণে মুখ ঢেকেছে দিল্লি, জরুরি অবস্থা বলল দিল্লি হাইকোর্ট, বাতিল ট্রেন-বিমান]

    এদিকে, ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইবুনাল দিল্লি জুড়ে নির্মাণ কাজ, নির্মাণ দ্রব্য পরিবহণ এবং আশপাশের এলাকায় পড়ে থাকা শস্যের অবশিষ্টাংশে লাগানো আগুনকেই দূষণের জন্য দায়ী করেছে। একই সঙ্গে তাদের উপদেশ, জল সিঞ্চনের মাধ্যমে দূষণে কিছুটা লাগাম দেওয়া যেতে পারে।

    English summary
    Delhi smog continues to cloak city, Javadekar says it is not because of Modi govt. NGT suggests water sprinkling to reduce effects of toxic air.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more